
এ.কে পলাশ, কুমিল্লা: কুমিল্লার দাউদকান্দিতে পৃথক সড়ক দূর্ঘটনায় অজ্ঞাত নারীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো ৫ জন। শনিবার (৭ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার আমিরাবাদ-কচুয়া সড়কের মহানন্দ এবং ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের দৌলতপুর এলাকায় এ দূর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে আমিরাবাদ-কচুয়া সড়কের মহানন্দ এলাকায় ইট বোঝাই একটি ট্রাক্টরকে আল আরাফাহ বাস চাপ দিলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাক্টরটি সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়। এতে ট্রাক্টরে থাকা দুইজন ঘটনাস্থলেই মারা যায়।
নিহতরা হলেন দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের হাটচান্দিনা গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের ছেলে বোরহান উদ্দিন (১৮) এবং জামালপুর জেলার মোঃ আলী ওরফে সোহেল (৩৫)। পুলিশ বাসটিকে আটক করেছেন।
একইদিন সকাল সাড়ে ৯টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ইলিয়টগঞ্জ দৌলতপুর এলাকায় সিএনজি এবং বাসের সংঘর্ষে অজ্ঞাত এক নারী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন দুই শিশুসহ আরো পাঁচজন।
আহতরা হলেন উপজেলার বাসরা গ্রামের সোনা মিয়ার স্ত্রী সালেহা বেগম, তার মেয়ে মায়ানুর বেগম, নাতনি জিয়ানা(১০), আয়শা (৮) ও নাতি তানভীর (৫)।
আহত সালেহা বেগম জানান, তার মেয়ে নাতি-নাতনিদের নিয়ে ৬ দিন আগে বেড়াতে এসেছিলেন। আজ তাদেরকে কুমিল্লায় মেয়ের শ্বশুর বাড়ীতে নিয়ে যাচ্ছিলেন। মহাসড়কে উঠার সময়ই বাসের সাথে ধাক্কা লাগে।
প্রত্যক্ষদর্শী অটোচালক শাহজালাল ও ফারুক মিয়া জানান, সিএনজিটি ডানে বামে না চেয়েই মহাসড়কে উঠে যায়। বাস চালক জোরে ব্রেক করায় কিছুটা রক্ষা হয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ শিলা জানান, সকালে মহানন্দ এলাকার দুর্ঘটনায় দু’জনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। আর দৌলতপুরে সিএনজি দুর্ঘটনায় আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। আহতদের মধ্যে দুজন শিশুর অবস্থা আশঙ্কাজনক।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে দাউদকান্দি মডেল থানাধীন গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম এবং ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানার ওসি দেওয়ান কৌশিক আহমেদ বলেন, পৃথক দূর্ঘটনায় অজ্ঞাত নারীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনাকবলিত দু’টি বাস এবং সিএনজি পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।
















