
সাজ্জাদুল ইসলাম, সোনাইমুড়ী (নোয়াখালী): নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে যাত্রাশুরু করলো “সোনাইমুড়ী মা ও শিশু হাসপাতাল”। শনিবার(১৮ মে) সকালে হাসপাতাল ভবনে পল্লী চিকিৎসকদের নিয়ে জাঁকজমক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সোনাইমুড়ী বাইপাসের পুরাতন অলস্কয়ার হসপিটালের ভবনে এই আয়োজন করা হয়।
হাসপাতালটি উদ্বোধন অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাস্থ্য বিষয়ক সেমিনারে আয়োজিত হয়। সেমিনারে সোনাইমুড়ী উপজেলার জনসাধারণের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে নানা বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এসময় অনুষ্ঠানে আগত অতিথিবৃন্দ ও প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ বক্তব্য রাখেন।
সভাপতির বক্তব্যে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাহাব উদ্দিন বলেন, সোনাইমুড়ী উপজেলাবাসীকে মানসম্মত স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের অঙ্গীকার নিয়ে নতুন ব্যবস্থাপনায় যাত্রা শুরু করেছে সোনাইমুড়ী মা ও শিশু হাসপাতাল”। এই হসপিটালের ২৪ ঘন্টা গাইনী সেবা দেওয়া হবে। প্রতিষ্ঠান উদ্বোধনের আগেই গাইনি চিকিৎসক থেকে শুরু করে ওটিসহ বিভিন্ন সেক্টরে বিজ্ঞ-অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এসময় তিনি হাসপাতালের শুভ উদ্বোধনের ঘোষণা করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন “সোনাইমুড়ী মা ও শিশু হাসপাতাল” এর চেয়ারম্যান হারুন-অর-রশিদ। তিনি বলেন, মাইজদির অনেক হাসপাতালে এমবিবিএস চিকিৎসক নেই। তবে সোনাইমুড়ী উপজেলার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে এমবিবিএস চিকিৎসক রয়েছেন। তিনি সোনাইমুড়ী উপজেলায় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে তৃণমূল পর্যায়ের পল্লী চিকিৎসকদের সার্বিক সহায়তা কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সাংবাদিক সামসুল আরেফিন জাফর বলেন, সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্য সেবা দিতে সাহাব উদ্দিন সহ এই এলাকায় গণমানুষের উদ্যোগে অলস্কয়ার হসপিটাল কার্যক্রম শুরু করে। সেই হসপিটালকে একবার নয়, দুইবার নয় বারেবার টর্নেডোরমত, আইলার মত ধ্বংসলীলা চালানো হয়েছে। যার মধ্যে কোন মানুষের টিকা থাকাই ছিলো অসম্ভব। তবে সেই অবস্থাতেও দৃঢ় প্রত্বয় নিয় সাহাব উদ্দিন বিগত ১৭ বছর এখানে অবস্থান করেছেন। একজন সাংবাদিক হিসেবে একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে অত্যান্ত কাছে থেকে অলস্কয়ার হসপিটালের ওপরে চলমান বিভিন্ন ধ্বংসলীলা কাছে থেকে দেখেছি। বর্তমানে একটি পরিবর্তিত সময় এসেছে। তিনি সোনাইমুড়ী মা ও শিশু হাসপাতালকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে পল্লী চিকিৎসকদের প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাহাব উদ্দিনের পাশে থাকার আহবান জানান।
স্বাস্থ্য বিষয়ক সেমিনারে অতিথিদের বক্তব্য শেষে অনুষ্ঠানে আগত আড়াই শতাধিক পল্লী চিকিৎসকদের নিয়ে প্রীতি ভোজের আয়োজন করা হয়। পরে সকল পল্লী চিকিৎসকদের উপহার বিতরণ করা হয়। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. ইলিয়াস, ডা. জাহাঙ্গীর আলম, হিফজুর রহমান প্রমুখ।
















