
নিউজ ডেস্ক|ঢাকা ১১ডিসেম্বর২০২৫
বিচার বিভাগকে কোনোভাবেই রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা যাবে না—এ মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ও সংবিধান বিশ্লেষক ড. আসিফ নজরুল। তিনি বলেছেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষা না হলে রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়ে, আর রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আদালত ব্যবহৃত হলে জনগণের ন্যায়ের প্রতি আস্থা নষ্ট হয়।
মঙ্গলবার এক আলোচনায় তিনি বলেন,
“বিচার বিভাগ রাষ্ট্রের শেষ ভরসাস্থল। এখানে রাজনৈতিক প্রভাব বা চাপের ছায়া পড়লে সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার বাধাগ্রস্ত হয়। বিচার ব্যবস্থাকে রাজনৈতিক হাতিয়ার বানানো গেলে তা দেশের গণতন্ত্রের জন্য বড় হুমকি।” ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে স্বাধীন বিচারব্যবস্থা অপরিহার্য
ড. আসিফ নজরুল জানান, বিচার বিভাগ শুধু সংবিধান রক্ষার প্রতিষ্ঠান নয়—এটি জনগণের অধিকার রক্ষার প্রধান স্তম্ভ।
তিনি বলেন—
“ন্যায়ের বাণী যাতে দেরিতে না আসে, আর কোনো নাগরিক যেন বিচারহীনতার শিকার না হন—এটাই বিচার বিভাগের মূল ভূমিকা। রাজনৈতিক প্রভাব বা পক্ষপাত বিচারকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।”বিচারকদের স্বাধীনতা রক্ষার আহ্বান
তিনি আরও বলেন বিচারকদের স্বাধীন ও নিরপেক্ষ অবস্থানে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে
আদালতকে রাজনৈতিক বক্তব্যের অঙ্গন বানানো চলবে না গুরুত্বপূর্ণ মামলায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি,
জনগণের আস্থা না ফেরালে সংকট বাড়বে
ড. নজরুল সতর্ক করেন—
“বিচার বিভাগ নিয়ে জনমনে সন্দেহ সৃষ্টি হলে তা পুরো রাষ্ট্রব্যবস্থাকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। বিচার ও আইন প্রয়োগে সমতা না থাকলে রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়ে।”
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা রক্ষার ওপর জোর দিয়ে ড. আসিফ নজরুল বলেন—রাজনৈতিক লাভের জন্য আদালত ব্যবহার বন্ধ না হলে গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে না। তিনি সকল পক্ষকে সংবিধানের স্পিরিট মেনে বিচার ব্যবস্থাকে সুরক্ষিত রাখার আহ্বান জানান।


















