
| ডেস্ক নিউজ | বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম |
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাণিজ্যিক জনপরিবহণ ব্যবস্থাকে ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক অপরাধ সংঘটনের ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। মানবপাচার, মাদক চোরাচালান, অর্থপাচার ও অবৈধ অস্ত্র পরিবহনে বাস, ট্রাক, ট্রেন, জাহাজ এমনকি যাত্রীবাহী বিমানও ব্যবহৃত হচ্ছে বলে আন্তর্জাতিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোল ও জাতিসংঘের অপরাধবিষয়ক সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, সীমান্ত অতিক্রমকারী বাণিজ্যিক যানবাহনগুলো অপরাধী চক্রের কাছে তুলনামূলকভাবে নিরাপদ ও কম ঝুঁকিপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষ করে দীর্ঘপথের বাস ও পণ্যবাহী ট্রাকের মাধ্যমে এক দেশ থেকে অন্য দেশে অবৈধ পণ্য পরিবহন করা হচ্ছে।
ইউরোপ-এশিয়ার কয়েকটি দেশে সম্প্রতি চালানো অভিযানে দেখা গেছে, বৈধ যাত্রী ও পণ্যের আড়ালে মানবপাচার ও মাদক পরিবহন চালানো হচ্ছিল। কোথাও কোথাও চালক ও পরিবহণ মালিকদের একটি অংশ এই অপরাধচক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণও মিলেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন,আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জনপরিবহণে নজরদারি দুর্বল থাকায় অপরাধীরা সুযোগ নিচ্ছে। উন্নত স্ক্যানিং ব্যবস্থা, তথ্য আদান-প্রদান এবং আন্তঃদেশীয় সমন্বয় জোরদার না হলে এই অপরাধ প্রবণতা আরও বাড়তে পারে।
এদিকে নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা মনে করছেন, শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানই যথেষ্ট নয়; পরিবহণ খাতে স্বচ্ছতা, চালক ও কর্মীদের নিবন্ধন, ডিজিটাল ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালু করা জরুরি। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ালে এই ধরনের অপরাধ দমন করা সম্ভব হবে।
উল্লেখ্য, বাণিজ্যিক জনপরিবহণ ব্যবস্থার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু একটি দেশের নয়, বরং বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

















