
নিউজ ডেস্ক | ঢাকা | ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
তফসিল ঘোষণার মধ্য দিয়ে আগামী জাতীয় নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক কাউন্টডাউন শুরু হলো। বৃহস্পতিবার বিকেলে নির্বাচন ভবনে সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন কমিশন (ইসি) গুরুত্বপূর্ণ এই তফসিল ঘোষণা করে। আর সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক ভোটের প্রতিশ্রুতি দেন।
সিইসি ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী—
- মনোনয়ন দাখিলের শেষ তারিখ: ১৮ জানুয়ারি
- যাচাই–বাছাই: ২০–২২ জানুয়ারি
- প্রার্থী প্রত্যাহার: ২৮ জানুয়ারি
- প্রতীক বরাদ্দ: ৩০ জানুয়ারি
- ভোটগ্রহণ: ১২ ফেব্রুয়ারি
সিইসি বলেন, “নির্বাচনের প্রতিটি ধাপ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মধ্যে সম্পন্ন হবে। ভোটাররা যেন নিশ্চিন্তে ভোট দিতে পারেন—এটাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে সিইসি তুলে ধরেন নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতার কৌশল—
- নিরাপত্তা বাহিনীর যৌথ টহল
- ভোটকেন্দ্রে কঠোর শৃঙ্খলা নিশ্চিতকরণ
- কেন্দ্রভিত্তিক সিসিটিভি মনিটরিং
- দ্রুত ফলাফল প্রচারের ব্যবস্থা
সিইসি ভোটারদের উদ্দেশে আহ্বান জানান—
গুজবে কান দেবেন না। নির্ভয়ে ভোটে অংশ নিন।
তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই রাজধানীসহ সারাদেশে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন গতি এসেছে।
দলীয় কার্যালয়গুলোতে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের ভিড়, ব্যস্ততা তুঙ্গে উঠেছে তৃণমূলেও।
দলগুলোর মন্তব্য—
“তফসিল ঘোষণার মাধ্যমে নির্বাচন এখন বাস্তব রূপ পেয়েছে। প্রার্থী চূড়ান্তকরণ ও প্রচার পরিকল্পনা চলছে।
সাধারণ ভোটারদের আশা—
- সহিংসতামুক্ত নির্বাচন
- সঠিক প্রার্থী বেছে নেওয়ার সুযোগ
- নিরাপদ পরিবেশে ভোট প্রদান
এক ভোটারের ভাষ্য—
“আমরা চাই, এবার যেন সত্যিকারের শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে—
- ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ শেষ
- পোলিং কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ প্রস্তুত
- লজিস্টিক সরঞ্জামের চূড়ান্ত প্রক্রিয়া
- গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে অতিরিক্ত নিরাপত্তা
সিইসি বলেন, “প্রশাসন, নিরাপত্তা বাহিনী ও নির্বাচন কর্মকর্তারা সমন্বিতভাবে কাজ করবেন।
তফসিল ও সিইসির ভাষণের মধ্য দিয়ে জাতীয় নির্বাচনের উত্তাপ আরও বেড়েছে।
১২ ফেব্রুয়ারি দেশের মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগ করে ঠিক করবেন আগামী নেতৃত্ব—গণতন্ত্রের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের এটাই বড় প্ল্যাটফর্ম।


















