
🧲 নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
নাচ, গান, কবিতা আর নবান্নকথনে এ আয়োজন অগ্রহায়ণর প্রথম দিনের বিকাল ওসন্ধ্যায় নাগরিক জীবনে কিছুটা ভিন্নতা এনে দেয়।
বাংলার কৃষিসংস্কৃতি ও শস্যনির্ভর জীবনচর্চার প্রাচীনতম উৎসব নবান্নকে কেন্দ্র করেরাজধানীর রবীন্দ্র সরোবর প্রাঙ্গণ মেতেছিল উৎসবে।
নাচ, গান, কবিতা আর নবান্নকথনে এ আয়োজন অগ্রহায়ণর প্রথম দিনের বিকাল ওসন্ধ্যায় নাগরিক জীবনে কিছুটা ভিন্নতা এনে দেয়।
রোববার বিকেল ৪টায় সম্মিলিতকণ্ঠে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে উৎসবের সূচনা হয়।সংক্ষিপ্ত উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লেখক ও শিল্পীরা।
ষড়ঋতু উদযাপন জাতীয় পর্ষদ‘ আয়োজিত এ উৎসবের উদ্বোধন পর্বের পর একেএকে পরিবেশিত হয় দলীয় ও একক নৃত্য, কবিতা আবৃত্তি, গান ও কবিদের কণ্ঠেকবিতাপাঠ।
উৎসবে সংগীত পরিবেশন করেন সংগীতশিল্পী ফেরদৌস আরা, আলেয়া বেগম, কোহিনূর আক্তার গোলাপী, ডলি মণ্ডল ও সাগর বাউল।
জাতীয় পর্ষদের আহ্বায়ক কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক এহসান মাহমুদ বলেন, “নবান্নকেবল ফসলের আনন্দ নয়; এটি আমাদের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের শক্তিশালী বাহক।আমরা চাই, এই উৎসব প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে প্রবহমান থাকুক।“
পর্ষদের সদস্য–সচিব দীপান্ত রায়হান বলেন, “এই আয়োজনের লক্ষ্য বাংলার কৃষি–ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং নাগরিক জীবনের ব্যস্ততার মাঝেপ্রকৃতির সঙ্গে মানুষের গভীর সম্পর্ক স্থাপন করা।


















