
নোয়াখালী বেগমগঞ্জ উপজেলায় নিখোজেঁর ১৮দিন পর কেন্দুরবাগ শাখার এলডিপির সেক্রেটারি মিনারুল ইসলাম (২৮) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর আগে গত ১২ জানুয়ারী (রবিবার ) রাত আনুমানিক ২:০০ দিকে ১০/১৫ জন আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী তাকে অস্ত্রের মুখে বাড়ি থেকে তুলে নিয়েছে বলে জানিয়েছে নিহতের পিতা ছাখাওয়াত উল্যাহ । তিনি জানান, নিখোঁজের পর ১৭ জানুয়ারী পরিবারের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে বেগমগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করতে গেলে সন্ত্রাসীদের ভয়ে অভিযোগ করতে পারেননি। নিখোঁজের পর থেকে মিনারুল ইসলামের খোঁজে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে সন্ধান চালালেও তার কোন সন্ধান পায়নি।
গতকাল ২৯ জানুয়ারী (বুধবার) বিকেল আনুমানিক ৪:৩০ মিনিটে বেগমগঞ্জ উপজেলার কেন্দুরবাগ গ্রামের খালের পাশে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। পরে পুলিশকে খবর দিলে বেগমগঞ্জ থানা পুলিশের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে। লোকজনের মারফতে লাশ উদ্ধারের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান নিখোঁজ মিনারুল ইসলামের বাবা ছাখাওয়াত উল্যাহ । লাশের পরনে লুঙ্গি এবং গায়ে টি-শার্ট দেখে মিনারুল ইসলামের লাশ বলে তারা শনাক্ত করে তার পিতা। নিখোঁজ মিনারুল ইসলাম নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার কেন্দুরবাগ এলাকার ছাখাওয়াত উল্যাহের ছেলে।
এই বিষয়ে নিহতের মা ছানোয়ারা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা আমার ছেলে মিনারুল ইসলাম কে জোর করে তুলে নিয়ে গেছে। আমার ছেলের দোষ ছিল সে (এলডিপি) রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলো এবং তিনি আরো বলেন কিছু দিন আগে আমার বড় ছেলে দিদারুল ইসলাম কে তারা একা পেয়ে চুরি দিয়ে তাঁর মাথায় এবং হাতে কুপিয়ে যখম করে। আমরা এর সঠিক বিচার চাই।
বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, উদ্ধারকৃত লাশের চেহারা বিকৃত হওয়ায় পরনের পোষাক দেখে নিখোঁজ মিনারুল ইসলামের লাশ বলে শনাক্ত করেছেন তার পরিবার। উদ্ধারকৃত লাশের মূল রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে।


















