
জাকাত ব্যবস্থাপনায় দারিদ্র্যমুক্তির বড় স্বপ্ন
স্টাফ রিপোর্টার, যমুনা থেকে:
রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এক অন্যরকম আবহে সম্পন্ন হলো আলেম-ওলামা, মাশায়েখ ও এতিম শিশুদের সম্মানে ইফতার মাহফিল। শনিবার সন্ধ্যায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে মধ্যমণি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ইফতারের পূর্ব মুহূর্তে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী দেশের অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করতে ‘জাকাত ব্যবস্থাপনা’ নিয়ে তার এক যুগান্তকারী ও লক্ষ্যভিত্তিক পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, দারিদ্র্য বিমোচনে জাকাত ব্যবস্থাকে প্রথাগত গণ্ডি থেকে বের করে আরও কার্যকর ও সুনির্দিষ্ট করতে হবে। তার মতে, পরিকল্পনাহীনভাবে জাকাত না দিয়ে যদি এটি প্রাতিষ্ঠানিক ও লক্ষ্যভিত্তিক উপায়ে বণ্টন করা যায়, তবে আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যেই দেশ থেকে দারিদ্র্য চিরতরে বিদায় নেবে।
ইফতার মাহফিলের টুকরো খবর:
যমুনার সবুজ লনে আয়োজিত এই ইফতারে যোগ দিয়েছিলেন দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম-ওলামারা। তাদের সঙ্গে একই দস্তরখানে ইফতার করেন প্রধানমন্ত্রী। বিশেষ করে এতিম শিশুদের পরম মমতায় কাছে টেনে নেন তিনি। ইফতারের মেন্যুতে ছিল বাঙালি ঐতিহ্যের ছোঁয়া, তবে আড়ম্বরের চেয়েও সেখানে গুরুত্ব পেয়েছে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য।
জাকাত নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ভিশন:
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জাকাত কেবল একটি ধর্মীয় বিধানই নয়, এটি দারিদ্র্য বিমোচনের শক্তিশালী হাতিয়ার। আমরা যদি লক্ষ্যভিত্তিক এবং সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার মাধ্যমে জাকাত প্রদান নিশ্চিত করতে পারি, তবে শুধুমাত্র এই ব্যবস্থার মাধ্যমেই দেশে দারিদ্র্য বিমোচনে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব।” তিনি আরও যোগ করেন, সঠিক ব্যবস্থাপনায় জাকাত দিলে আগামী দেড় দশকের মধ্যে দেশে কোনো মানুষ আর দরিদ্র থাকবে না—এটিই বর্তমান সরকারের বড় লক্ষ্য।
ইফতারের ঠিক আগ মুহূর্তে দেশ ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। আলেম-ওলামাগণ প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, জাকাত ব্যবস্থাকে আধুনিক ও লক্ষ্যভিত্তিক করার এই চিন্তা দেশের অর্থনীতিতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করবে।
আরও জানতে চোখ রাখুন…


















