
🧲 নিউজ ডেস্ক
অবৈধ সম্পদ অর্জন ও গোপন করার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলার একদিন পর জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য মোহাম্মদ বেলাল হোসাইন চৌধুরীকে কাস্টমস, এক্সাইজ ও মূসক ট্রাইব্যুনালে প্রেসিডেন্ট পদে বদলি করা হয়েছে।
বুধবার (৮ অক্টোবর) অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ এ আদেশ জারি করে মোহাম্মদ বেলালহোসাইন চৌধুরীকে সদস্য (মূসক বাস্তবায়ন ও আইটি) থেকে ট্রাইব্যুনালে বদলি করে।‘জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে‘ বলে উল্লেখ করা হয়।
গতকাল ৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও গোপনের অভিযোগে দুদকেরউপপরিচালক মো. সাইদুজ্জামান বাদী হয়ে সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকায় এ মামলাকরেন।
কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিল ট্রাইব্যুনাল এনবিআরের অধীনে একটিআধা–বিচারিক প্রতিষ্ঠান। যার মূল কাজ হলো আপিল শুনানি ও নিষ্পত্তি। সারাদেশের কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট সংক্রান্ত বিষয়ে কমিশনার (আপিল) বা অন্যান্যকর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট করদাতারা বা ব্যবসায়ীরা এখানে আপিল করতে পারেন।
ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট আপিল শুনানি পরিচালনা ও রায়ের মাধ্যমে শুল্ক ও ভ্যাটসংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করেন।
দুদকের মামলার সঙ্গে বদলির সম্পর্ক রয়েছে কি না—জানতে চাইলে অভ্যন্তরীণ সম্পদবিভাগের সচিব ও এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান দ্য ডেইলি স্টারকেবলেন, ‘বদলি একটি দপ্তরের নিয়মিত কাজের অংশ। তবে এখানে দুদকের মামলারওএকটা ভূমিকা আছে।“
এ বিষয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘সুনির্দিষ্ট অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেমামলা হওয়ার পর কাউকে অন্যত্র বদলি করা গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরণের বদলির মানেহলো, তার অপকর্মের ক্ষেত্র পরিবর্তন করে নতুন করে সুযোগ দেওয়া।
তিনি বলেন,”সরকারের উচিত হবে, দুদকের মামলার বিচারকার্য শেষ না হওয়া পর্যন্তওই কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে রাখা। ন্যায় ও সুশাসনের স্বার্থে অবশ্যইঅভিযুক্ত কর্মকর্তাকে বদলির আদেশ স্থগিত করে সাময়িক বরখাস্ত করতে হবে।“
সোর্স: the daily star বাংলা
নিউজটি শেয়ার করুণ


















