
আগামীকাল বিকেলে সমাধানের আশ্বাস,
স্টাফ রিপোর্টার, নোয়াখালী:
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে জ্বালানি তেলের সাময়িক সংকট ও সরবরাহ নিয়ে সৃষ্ট ধোঁয়াশা কাটাতে মাঠে নেমেছেন উপজেলা প্রশাসন। শনিবার (৭ই মার্চ) দিনভর উপজেলার সবগুলো ফিলিং স্টেশন সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো.কায়েসের রহমান। পরিদর্শন শেষে তিনি জানিয়েছেন, তেলের কোনো স্থায়ী সংকট নেই, মূলত ব্যাংক বন্ধ থাকায় ‘পে-অর্ডার’ জটিলতায় গত দুই দিন ডিপো থেকে জ্বালানি আসেনি। তবে আগামীকাল বিকেলের মধ্যেই পরিস্থিতির পুরোপুরি সমাধান হচ্ছে বলে আশ্বস্ত করেছেন তিনি।
কেন এই তেলের টান?
সরেজমিনে দেখা গেছে, গত ৫ই মার্চ থেকে স্থানীয় ডিপোগুলো থেকে কোনো ডিজেল বা অকটেন বেগমগঞ্জের পাম্পগুলোতে পৌঁছায়নি। পাম্প কর্তৃপক্ষের দাবি, নিয়ম অনুযায়ী ডিপো থেকে তেল ছাড়ার আগে ব্যাংক পে-অর্ডারের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করতে হয়। পাম্পগুলো ইতোমধ্যে তেলের অর্ডার দিলেও গতকাল ও আজ ব্যাংক বন্ধ থাকায় পে-অর্ডার জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি। আর এই কারিগরি কারণেই পাম্পগুলোতে তেলের সরবরাহ সাময়িকভাবে থমকে আছে।
আগামীকালই মিলবে সুরাহা:
ফিলিং স্টেশন মালিকদের সাথে কথা বলে প্রশাসন জানিয়েছে, আগামীকাল রবিবার সকালে ব্যাংক খোলার সাথে সাথেই ঝুলে থাকা পে-অর্ডারগুলো সম্পন্ন করা হবে। পাম্প কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে, সবকিছু ঠিক থাকলে কাল বিকেলের মধ্যেই নতুন করে ফুয়েল চলে আসবে। ফলে সাধারণ মানুষকে কোনো প্রকার উদ্বিগ্ন না হয়ে ধৈর্য ধারণ করার অনুরোধ জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
অতিরিক্ত মুনাফায় কড়া হুঁশিয়ারি:
এদিকে তেলের বাজার স্থিতিশীল রাখতে পাম্প মালিকদের বিশেষ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। ইউএনও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, বর্তমানে নির্ধারিত দামেই ফুয়েল বিক্রি হচ্ছে এবং এটিই বজায় রাখতে হবে। বৈশ্বিক সংকটের ধুয়া তুলে বা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে কোনো পাম্প যেন অতিরিক্ত মুনাফা অর্জনের চেষ্টা না করে—এ বিষয়ে কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে। কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
আরও জানতে চোখ রাখুন…
















