
স্টাফ রিপোর্টার, নোয়াখালী:
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে একদিনেই প্রশাসনের বহুমুখী তৎপরতায় পাল্টে গেছে দৃশ্যপট। অনিয়মের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়ে মাঠে নামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কায়েসুর রহমানের নেতৃত্বে আজ একই সাথে জ্বালানি তেলের বাজার মনিটরিং, ইটভাটায় জরিমানা এবং শহরের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ময়লা অপসারণের কাজ পরিচালিত হয়েছে।
পেট্রোল পাম্পে বিশেষ পরিদর্শন:
শনিবার সকাল থেকেই উপজেলার সবকটি ফিলিং স্টেশন সরেজমিনে পরিদর্শন করেন ইউএনও। গত ৫ই মার্চের পর থেকে ডিপো থেকে তেল না আসার পেছনে ‘পে-অর্ডার’ জটিলতাকে চিহ্নিত করেন তিনি। ব্যাংক বন্ধ থাকায় এই সাময়িক সমস্যা তৈরি হলেও আগামীকাল বিকেলের মধ্যেই জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন। একই সাথে বৈশ্বিক সংকটের দোহাই দিয়ে কোনো পাম্প যেন অতিরিক্ত মুনাফা না লোটে, সে বিষয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দেন এই কর্মকর্তা。ইটভাটায় জরিমানার তপ্ত হাওয়া:
পাম্প পরিদর্শনের পরপরই অভিযান শুরু হয় রসুলপুর ইউনিয়নের তিনটি ইটভাটায়। কৃষি জমির ‘টপ সয়েল’ বা উপরিভাগের মাটি কেটে ইট প্রস্তুত করার দায়ে জননী, হোসনা এবং রুপালী ব্রিকসকে মোট ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। কৃষি জমি রক্ষায় এই কঠোর অবস্থানকে সাধুবাদ জানিয়েছে স্থানীয় সচেতন মহল।
চৌমুহনীতে ময়লা অপসারণের স্বস্তি:
এর আগে শুরু হয় শহরের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম। বিশেষ করে চৌমুহনী কলা গলির দীর্ঘদিনের ময়লার স্তূপ অপসারণের মাধ্যমে জনসাধারণের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘব করা হয়েছে। পৌর প্রশাসনের এই আন্তরিক প্রচেষ্টায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
৩৭তম বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের এই চৌকস কর্মকর্তার হাত ধরে বেগমগঞ্জে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জনবান্ধব পরিবেশ তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
আরও জানতে চোখ রাখুন…
















