‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর গুরুতর অভিযোগ; জনমত যাচাইয়ে নেমেছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান
বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা| নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নজিরবিহীন হস্তক্ষেপ বা ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর গুরুতর অভিযোগ তুলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক দুই প্রভাবশালী উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও খলিলুর রহমানকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও জনআকাঙ্ক্ষা ধূলিসাৎ করতে এই দুই ব্যক্তি নেপথ্যে থেকে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছেন।
গ্রেপ্তার ও জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জামায়াতের শীর্ষ নেতারা এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, কেবল ক্ষমতার অপব্যবহার নয়, বরং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে কলুষিত করার দায়ে তাঁদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার হওয়া প্রয়োজন। তাঁদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিয়ে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর আহ্বান জানানো হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জামায়াতের এই কঠোর অবস্থান অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক কর্মকর্তাদের ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে দিল।
অনলাইন জরিপে উত্তাল নেটদুনিয়া এদিকে, এই দুই সাবেক উপদেষ্টার বিচার দাবির বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের মনোভাব বুঝতে আজ ‘নয়া দিগন্ত’ পত্রিকা একটি অনলাইন জরিপ পরিচালনা করেছে। জরিপটিতে প্রশ্ন রাখা হয়েছে— ‘আপনি কি জামায়াতের এই দাবির সাথে একমত?’। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই জরিপটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে এবং হাজার হাজার মানুষ তাঁদের মতামত জানাচ্ছেন।
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও খলিলুর রহমানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এই অভিযোগের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে মেরুকরণ শুরু হয়েছে।
আরও জানতে চোখ রাখুন…

















