স্টাফ রিপোর্টার |
জমি দখল করে বুক ফুলিয়ে হাঁটার দিন ফুরিয়ে আসছে। এতদিন যারা অন্যের জমি গায়ের জোরে দখল করে বছর বছর মামলা লড়তেন, তাদের জন্য দুঃসংবাদ নিয়ে এসেছে নতুন ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন। এখন আর জমি উদ্ধারে যুগ যুগ ধরে আদালতের বারান্দায় ঘুরতে হবে না। যথাযথ নথিপত্র থাকলে মাত্র ৯০ দিন বা তিন মাসের মধ্যেই মিলবে জমির দখল।
মোবাইল কোর্টেই হবে সমাধান
নতুন আইনের সবচেয়ে শক্তিশালী দিক হলো এর প্রয়োগ পদ্ধতি। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এখন সরাসরি মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বেদখল হওয়া জমি দখলমুক্ত করতে পারবেন। এর জন্য জমির মালিককে শুধু জেলা প্রশাসক (ডিসি) বরাবর একটি আবেদন করতে হবে। ডিসি অফিসের তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা মিললেই অ্যাকশনে যাবে প্রশাসন।
নথিপত্র থাকতে হবে নিখুঁত
তবে আইনের সুফল পেতে হলে জমির মালিকানা প্রমাণের ক্ষেত্রে কোনো ফাঁকি রাখা চলবে না। দখল ফিরে পেতে মূল দাবিদারের কাছে থাকতে হবে:
- জমির হালনাগাদ দলিল ও খতিয়ান।
- খাজনা খারিজ (নামজারি) সম্পূর্ণ থাকতে হবে।
- দলিল, খতিয়ান ও খারিজের তথ্যে কোনো গরমিল থাকা চলবে না; অর্থাৎ সবকিছু নির্ভুল হতে হবে।
প্রশাসনের কড়া বার্তা
ভূমি মন্ত্রণালয় এবং বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন ভূমি আইনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ দীর্ঘমেয়াদী ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাবে। সরকার জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে জমি উদ্ধার প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করার নির্দেশনা দিয়েছে। দখলদার যত প্রভাবশালীই হোক না কেন, নথিপত্র ঠিক থাকলে আইনি হাত থেকে রেহাই পাওয়ার সুযোগ নেই। যারা জাল দলিল তৈরি করে জমি দখলের পাঁয়তারা করছেন, তাদের জন্য এই আইন বড় ধরনের সতর্কবার্তা।
আরও জানতে চোখ রাখুন…

















