
স্টাফ রিপোর্টার|
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ বাহিনী এখন অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি শক্তিশালী ও দক্ষ বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে পুলিশ বাহিনী এখন পুরোপুরি প্রস্তুত।
সকালে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত এক উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা আমাদের প্রধান অঙ্গীকার। নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে পুলিশ বাহিনী এখন সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আমরা পুলিশকে একটি সেবামুখী ও গণতান্ত্রিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলেছি, যারা কোনো দলের হয়ে নয়, বরং রাষ্ট্রের হয়ে কাজ করবে।” তিনি আরও যোগ করেন, অতীতের রাজনৈতিক ব্যবহারের তকমা মুছে পুলিশ এখন জনগণের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।
উপদেষ্টা তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, পুলিশ বাহিনীকে ঢেলে সাজানোর প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে। তিনি বলেন, “অতীতের চেয়ে বেশি শক্তিশালী ও দক্ষ গণতান্ত্রিক বাহিনী রূপে পুলিশকে প্রস্তুত করা হয়েছে। তাদের উন্নত প্রশিক্ষণ ও আধুনিক সরঞ্জামাদি নিশ্চিত করা হয়েছে যাতে যেকোনো পরিস্থিতি তারা পেশাদারিত্বের সাথে মোকাবিলা করতে পারে।”
নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে কোনো পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্ব বা গাফিলতির অভিযোগ পাওয়া গেলে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি। তিনি বলেন, “মাঠ পর্যায়ের প্রতিটি সদস্যকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন তারা শতভাগ নিরপেক্ষ থেকে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন।”
বৈঠকে আইজিপি, র্যাব মহাপরিচালকসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ছক নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় বিশেষ ড্রিল শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
আরও পড়ুন…


















