
ঢাকা প্রতিনিধিঃ
দেশের চালের বাজারে আবারও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এক সপ্তাহের মধ্যে বাজারে বিভিন্ন ধরনের চালের কেজি প্রতি দাম ৪ থেকে ৭ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা সাধারণ ভোক্তাদের দৈনন্দিন ক্রয়ক্ষমতাকে প্রভাবিত করছে।
রাজধানীর কারওয়ান বাজার, মিরপুর, যাত্রাবাড়ী, কাওরানবাজারসহ খুচরা ও পাইকারি বাজারে ঘুরে দেখা গেছে—মধ্যমানের চাল বিক্রি হচ্ছে ৬২–৬৫ টাকায়, যেখানে গত সপ্তাহে ছিল ৫৭–৫৮ টাকা। ভালো মানের আতপ ও সিদ্ধ চাল বিক্রি হচ্ছে ৭০–৭৬ টাকার মধ্যে।
খুচরা দোকানদাররা বলছেন, মিল মালিকদের কাছ থেকে চাপ এসেছে দাম সমন্বয় করতে। বড় মিলগুলোর এক অংশ দাবি করেছে—
“ধানের বাজারের ঊর্ধ্বগতি কিছুটা দাম বাড়ানোর কারণ হয়েছে। কোন কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয়নি।
বাজারে হঠাৎ ঊর্ধ্বগতির পর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় মিল মালিকদের জরুরি বৈঠকে ডেকেছে। এছাড়া টিসিবি ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে বাজার মনিটরিং জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এক সরকারি কর্মকর্তা বলেন
“যদি মজুত করে দাম বাড়ানোর প্রমাণ পাওয়া যায়, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভোক্তাদের স্বার্থে আমরা সতর্ক রয়েছি।
সাধারণ মানুষ বলছেন—
“প্রতি মাসেই নতুন দাম। আয় বাড়ে না, বাজার বেড়ে যায়। মজুতদারদের বিরুদ্ধে সরকারকে শক্ত পদক্ষেপ নিতে হবে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন—
মিলগুলোর ট্রান্সপারেন্সি নিশ্চিত করা,মজুত ব্যবস্থায় ডিজিটাল নজরদারি,
আমদানির সময়োপযোগী পদক্ষেপ
—এসবই বাজারের স্থায়িত্ব ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে।সরকার বাজারে স্থায়িত্ব ফিরিয়ে আনার জন্য জোরদার তদারকি করছে। তবে দাম নিয়ন্ত্রণ কতটা কার্যকর হবে, তা নির্ভর করছে মিল মালিকদের প্রতিক্রিয়া, বাজার মনিটরিং এবং সরকারি পদক্ষেপের বাস্তবায়নের ওপর।


















