
অর্থনীতি ডেস্ক |
সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসেও প্রত্যাশার পারদ মেটাতে পারলো না দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) লেনদেনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বিনিয়োগকারীদের মধ্যে দেখা গেছে এক ধরণের ‘ধীরে চলো’ নীতি। দিনশেষে সূচকের সামান্য দরপতন আর নিস্তেজ লেনদেনেই সীমাবদ্ধ ছিল বাজার।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, সকাল থেকেই সূচক ছিল অস্থির। ওঠানামার খেলায় শেষ পর্যন্ত বিক্রেতাদের চাপে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৫ পয়েন্ট হারিয়েছে। বড় মূলধনী কিছু কোম্পানির শেয়ার দর সামান্য কমতেই লাল সংকেত জ্বলে ওঠে সূচকের ঘরে।
বিনিয়োগকারীদের আক্ষেপ যেন পিছু ছাড়ছে না। এদিন লেনদেনেও তেমন গতি ছিল না। দিনভর ডিএসইতে হাতবদল হয়েছে মাত্র ৫৪০ কোটি টাকার শেয়ার ও ইউনিট। বাজারে অংশ নেওয়া অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানেরই দরে ছিল ভাটার টান। ১৮০টি প্রতিষ্ঠানের দরপতনের বিপরীতে বেড়েছে মাত্র ৮৫টির দাম। আর কোনো পরিবর্তন ছাড়াই দিন পার করেছে ১০৫টি প্রতিষ্ঠান।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, তীব্র শীত আর ডলার সংকটের অস্থিরতায় বড় বিনিয়োগকারীরা এখন হাত গুটিয়ে বসে আছেন। ব্যাংক ও ওষুধ খাতের শেয়ার নিয়ে কিছুটা নাড়াচাড়া হলেও দিনশেষে তার কোনো ইতিবাচক প্রভাব পড়েনি। উল্টো ব্যাংক খাতের বড় কিছু শেয়ারের দরপতনই সূচকের নিচের দিকে নামার মূল কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এক সাধারণ বিনিয়োগকারী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “বাজারের ওপর ভরসা পাওয়াই কঠিন হয়ে যাচ্ছে। একটু বাড়লে তার চেয়ে বেশি কমে। আমাদের মতো সাধারণ মানুষের পুঁজি এখন ঝুঁকির মুখে।”
বড় কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছাড়া বাজার স্বাভাবিক হওয়ার লক্ষণ দেখছেন না বাজার সংশ্লিষ্টরা। এখন সবার চোখ কালকের লেনদেনের দিকে—ঘুরবে কি ভাগ্যের চাকা?
আরও পড়ুন…


















