নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা|
আজ ৩০ মে, আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি ও বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী। ১৯৮১ সালের এই দিনে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে একদল বিপথগামী সেনাসদস্যের হাতে নির্মমভাবে শাহাদাতবরণ করেন তিনি।
রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের এই প্রয়াণ দিবসটি স্মরণে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো। দিবসটি উপলক্ষে আজ ভোরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের শাখা কার্যালয়গুলোতে দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে এবং কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে।
বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম এক সংকটময় মুহূর্তে জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসীন হন। বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তন এবং তলাবিহীন ঝুড়ির অপবাদ থেকে দেশকে মুক্ত করে ‘উন্নয়নের রাজনীতি’র সূচনা করার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা অগ্রগণ্য। গ্রাম সরকার ব্যবস্থা, খাল খনন কর্মসূচি এবং কৃষি বিপ্লবের ডাক দিয়ে তিনি সাধারণ মানুষের কাছে জননন্দিত নেতায় পরিণত হয়েছিলেন।
আজকের এই বিশেষ দিনটিতে শহীদ জিয়ার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়েছে। শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত তাঁর কবরে দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। এ ছাড়াও দিবসটি ঘিরে নিম্নোক্ত কর্মসূচি পালিত হবে:
- আলোচনা সভা: রাজধানীতে কেন্দ্রীয়ভাবে আলোচনা সভার আয়োজন।
- অন্ন বিতরণ: দরিদ্র ও দুস্থ মানুষের মাঝে খাবার ও বস্ত্র বিতরণ।
- বিশেষ মোনাজাত: দেশের প্রতিটি মসজিদে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া।
মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেনানী থেকে রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তাঁর উত্থান বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক স্থায়ী প্রভাব রেখে গেছে। ১৯ জানুয়ারি ১৯৩৬ সালে জন্ম নেওয়া এই মহান নেতা আজও তাঁর বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শনের মধ্য দিয়ে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে বেঁচে আছেন। দিনটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ পৃথক বাণী প্রদান করেছেন এবং তাঁর স্মৃতিচারণ করেছেন।
”শহীদ জিয়া কেবল একটি নাম নয়, তিনি একটি আদর্শ এবং বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর প্রতীক।” — বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
প্রতি বছরের ন্যায় এবারও যথাযথ মর্যাদায় এবং ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে এই দিনটি পালন করছে জাতি।
আরও জানতে চোখ রাখুন…

















