
নোয়াখালী প্রতিনিধি| ভয়াবহ নদীভাঙনের হাত থেকে ফেনী ও নোয়াখালীর উপকূলীয় অঞ্চল রক্ষায় ৯০০ কোটি টাকার প্রস্তাবিত ‘মুছাপুর রেগুলেটর’ প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনে আসছেন সরকারের দুই হেভিওয়েট মন্ত্রী। আজ মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টায় সোনাগাজীর মুছাপুর এলাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে তাদের।
পরিদর্শনকারী দলের নেতৃত্ব দেবেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।
প্রকল্পের বিস্তারিত একনজরে
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢল ও প্রবল বর্ষণে গত বছরের ২৬ আগস্ট মুছাপুরের ২৩ ভেন্টের রেগুলেটরটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে সোনাগাজী, দাগনভূঁইয়া ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় চরম ভাঙন আতঙ্ক। সেই ক্ষত কাটিয়ে উঠতে সরকার ৮৯৬ কোটি ৬১ লাখ টাকা ব্যয়ে নতুন প্রকল্প হাতে নিয়েছে।
| বিষয় | বিবরণ |
|—|—|
| প্রকল্পের নাম | ছোটফেনী ও বামনী নদী অববাহিকায় সমন্বিত বন্যা ও নদী ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন |
| মোট বরাদ্দ | ৮৯৬ কোটি ৬১ লাখ টাকা |
| বাস্তবায়ন মেয়াদ | চলতি মাস থেকে জুন ২০৩০ পর্যন্ত |
| বর্তমান অবস্থা | একনেক সভায় অনুমোদনের অপেক্ষায় |
মানুষের শেষ ভরসা
রেগুলেটরটি ভেঙে যাওয়ার পর থেকেই স্থানীয় জনগণের দিন কাটছে চরম উদ্বেগে। আজ মন্ত্রীদের আগমনে সেখানে হাজারো ভুক্তভোগী মানুষ জড়ো হওয়ার কথা রয়েছে। নদীভাঙনে ভিটেমাটি হারানো মানুষগুলো মন্ত্রীদের মাধ্যমে সরকারের কাছে দ্রুত স্থায়ী বাঁধ ও রেগুলেটর নির্মাণের জোরালো দাবি জানাবেন।
ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি?
উল্লেখ্য, এর আগে ২০০৫ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯ কোটি ৪৪ লাখ টাকা ব্যয়ে এই রেগুলেটরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। সেই সময়কার ২৩ ভেন্টের রেগুলেটরটি দীর্ঘ সময় ভাঙন ঠেকিয়ে রাখলেও গত বছরের প্রাকৃতিক দুর্যোগে সেটি বিধ্বস্ত হয়।
এবার আরও আধুনিক ও শক্তিশালী অবকাঠামো তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
নোয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এসএম রিফাত জামিল বিডিনিউজ24কে জানান, মন্ত্রীদ্বয় শুধু মুছাপুর রেগুলেটর নয়, একই সঙ্গে বামনী ক্লোজার ও উড়িরচর ক্রসড্যাম এলাকাও পরিদর্শন করবেন। একনেকে প্রকল্পটি পাস হলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কাজ শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আরও জানতে চোখ রাখুন…
















