
স্টাফ রিপোর্টার,ঢাকা|
মাদক, অবৈধ অস্ত্র এবং চাঁদাবাজির সিন্ডিকেট দমনে কোনো ছাড় নয়—এমন কড়া বার্তা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানিয়েছেন, অপরাধ জগতের এই ত্রিভুজ চক্রকে গুঁড়িয়ে দিতে গত ১ মে থেকে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত ‘যৌথ অভিযান’।
আজ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির প্রথম সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “মাদকের ছোবল ও অবৈধ অস্ত্রের দাপট রাতারাতি এই পর্যায়ে আসেনি। বছরের পর বছর ধরে চলা এই নৈরাজ্য থেকে জনগণকে মুক্তি দিতে আমরা এখন কঠোর। প্রতিদিন অভিযানে বড় ধরনের সাফল্য আসছে। পুলিশ, র্যাবসহ সরকারের সকল সংস্থা এই লড়াইয়ে মাঠে রয়েছে।” মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি অন্যান্য সংস্থাও সমানতালে কাজ করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সচিবালয়ের এই হাইভোল্টেজ সভায় সভাপতিত্ব করেন খোদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এতে অংশ নেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, শুধু অভিযান নয়, মিয়ানমার থেকে আসা নাগরিকদের অবস্থান এবং স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও সভায় গুরুত্বের সাথে আলোচনা হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, চাঁদাবাজি এবং মাদকের শেকড় উপড়ে না ফেলা পর্যন্ত এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধীদের থাবায় শান্ত থাকা সমাজকে আর অস্থির হতে দেবে না প্রশাসন।
আরও জানতে চোখ রাখুন…


















