
মোঃরফিকুল ইসলাম,
ভূরুঙ্গামারী উপজেলা প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারীতে মিথ্যা বানোয়াট তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তকর সংবাদ প্রচার করে চর ভূরুঙ্গামারী হুচারবেলা গ্রামের আব্দুল ছালাম ( কামলা) দিন মজুরের ছেলে কথিত অশিক্ষিত হলুদ সাংবাদিক আনোয়ার। ভূরুঙ্গামারীতে মিথ্যা বানোয়াট সংবাদ প্রচার করে কিছুদিন আগে চর ভূরুঙ্গামারী বাজারে হাজার হাজার নেতাকর্মী ও মহিলারা ঝাড়ুমিছিল, জুতা সেন্ডেল,লাঠিসোডা, জুতামালা পড়িয়ে দেওয়ার জন্য চর ভূরুঙ্গামারী জনগণ অনেক খোঁজা খোজি করে কথিত অশিক্ষিত হলুদ সাংবাদিককে কয়েক সাপ্তাহ পালিয়ে থাকতে দেখা যায়। তারপর কুড়ার পাড়ে মিথ্যা বানোয়াট গুম খুন ধর্ষণের মতো মিথ্যা মামলা দিয়ে নিদোষ নিরীহ সাত্তার আলীর পরিবারকে ধ্বংস করে ও তার ভাই বোনের পারিবারিক জায়গা জমি সংক্রান্ত বিষয়ে থানায় মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল খাটানো হয় এবং তার নিজ নামে ৮ শতক জমি নিয়ে নেন এই প্রতারক চক্রের সদস্য আনোয়ার সাংবাদিক পরিচয়ে। এছাড়াও কথিত অশিক্ষিত হলুদ সাংবাদিক আনোয়ার বিভিন্ন সময়ে বড় বড় অফিসার সেজে চাকরির কথা বলে সমাজের নিরীহ মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন পাটেশ্বরী ব্রিজ পাড় সুলতানের কাছ থেকে এই ভুঁইফোড় ভুয়া অশিক্ষিত হলুদ সাংবাদিক যার শিক্ষাগত যোগ্যতা এস এস সি। ভূরুঙ্গামারীর বর্তমানে সবচেয়ে বড় দালাল চক্র এবং প্রতারক চক্রের সক্রিয় সদস্য কথিত অশিক্ষিত হলুদ সাংবাদিক আনোয়ার। এছাড়াও বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্য জীবী লীগ নেতা হিসেবে কিছুদিন আগেই ডিবি পুলিশ কতৃক গ্রেফতার হন এবং জেল হাজত খেটে বের হোন।ত ছাড়াও বাবু হাটে মাদক ব্যবসা আসামি পুলিশের ভ্যান থেকে ছিনিয়ে নেওয়ায় মাদক ব্যবসা সাথে জড়িত প্রমাণ পাওয়ায় ভুঁইফোঁড় ভুয়া অশিক্ষিত হলুদ সাংবাদিক আনোয়ার ও তার পিতা আব্দুল ছালাম মাদক মামলার এজাহার ভুক্ত আসামি এবং জেল হাজত খেটে পিতা পুত্র বর্তমানে জামিনে আছেন। কথিত অশিক্ষিত হলুদ সাংবাদিক আনোয়ার সোনাহাট স্থলবন্দরে একজন চাঁদাবাজি দালাল চক্রের সহযোগী হিসেবে সবাই তাকে ঘৃণা করে। এছাড়াও সোনাহাট স্থলবন্দরে বিভিন্ন পতিতা বাড়িতে তার চলাফেরা করে এবং তাদের কাছ থেকেই প্রতিরাতে দুই হাজার টাকা করে চাঁদা আদায় করেন। সোনাহাট স্থলবন্দরের সাধারণ জনগণ এ বিষয়ে অবগত আছেন। তারা বলেন, শুধু চাঁদা নেয় তা নয় পছন্দ মতো পতিতা মেয়ে নিয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধুর বাড়ীতে গিয়ে রাত কাটান।


















