ডেস্ক রিপোর্ট, বিডিনিউজ২৪.কম|
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাজস্ব খাতভুক্ত সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার প্রার্থীর নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে চলমান দীর্ঘদিনের জটিলতা অবশেষে কাটতে চলেছে। শিক্ষামন্ত্রী আজ এক অনুষ্ঠানে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, সুপারিশপ্রাপ্ত এই বিশাল সংখ্যক শিক্ষকদের কাউকেই নিয়োগ থেকে বাদ দেওয়া হবে না।
আজ রোববার (৩ মে) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী এই আশ্বাস দেন। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, মন্ত্রী একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন এবং তার এই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্যটি একটি সংবাদ কার্ডে তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে লেখা আছে: ‘প্রাথমিকের সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার শিক্ষকদের কেউ বাদ পড়বে না’।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত ২০২০ সালের একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তিন ধাপে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা শেষে চূড়ান্তভাবে এই ১৪ হাজার প্রার্থীকে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছিল। তবে চূড়ান্ত সুপারিশের পর পুলিশ ভেরিফিকেশন, প্রশাসনিক নানা জটিলতা এবং করোনা মহামারীর প্রভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়াটি আটকে যায়। পরবর্তীতে শূন্য পদের সংখ্যা নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি এবং নানা আইনি জটিলতায় গত কয়েক বছর ধরে এই শিক্ষকরা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন অতিবাহিত করছিলেন।
আন্দোলনরত সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের প্রতিনিধিরা দীর্ঘদিন ধরে দ্রুত নিয়োগের দাবিতে সোচ্চার ছিলেন। তারা জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে একাধিকবার মানববন্ধন ও লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। তাদের প্রধান দাবি ছিল, যেহেতু তারা সব আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন, তাই শূন্য পদের বিষয়টিকে অজুহাত বানিয়ে তাদের নিয়োগ থেকে বঞ্চিত করা অন্যায্য।
আজকের এই ঘোষণার মাধ্যমে সরকারের পক্ষ থেকে তাদের দাবির প্রতি ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেল। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “প্রশাসনিক বা আইনি কোনো জটিলতার কারণে কোনো যোগ্য প্রার্থী যেন বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। আমরা প্রাথমিকের এই ১৪ হাজার সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছি এবং আমি দৃঢ়ভাবে বলছি, তাদের কেউই বাদ পড়বে না।”
মন্ত্রীবাহিনীর এই আশ্বাসের পর সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষক ও তাদের পরিবার-পরিজনের মধ্যে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত স্বস্তির নিঃশ্বাস মিলেছে।
আরও জানতে চোখ রাখুন…


















