
মো.রিয়াজুল সোহাগ,নিজস্ব প্রতিবেদক
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি এক ঐতিহাসিক ও সাহসী সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেছে— এক পরিবার থেকে একাধিক ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেওয়া হবে না।
দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বহু আগেই এ ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেই নীতির প্রতি অটল থেকে এবার বিএনপি কঠোরভাবে তা অনুসরণ করেছে।
দলের শীর্ষ নেতাদের পরিবারের বহু প্রার্থী এবার বাদ পড়েছেন।
মনোনয়ন পাননি—মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ভাই মির্জা ফয়সাল আমিন, মির্জা আব্বাসের স্ত্রী আফরোজা আব্বাস, খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ছেলে খন্দকার মারুফ হোসেন,
গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের মেয়ে অর্পণা রায়, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর স্ত্রী রুমানা মাহমুদ, সালাউদ্দিন আহমেদের স্ত্রী হাসিনা আহমেদ, নিতাই রায় চৌধুরীর মেয়ে নিপুণ রায় চৌধুরী,
আমান উল্লাহ আমানের ছেলে ইরফান ইবনে আমান,
আব্দুস সালাম পিন্টুর ভাই সুলতান সালাউদ্দিন টুকু,
এবং হারুনুর রশীদের স্ত্রী সৈয়দ আশরাফী পাপিয়া।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, বিএনপির এই সিদ্ধান্ত ত্যাগী, নির্যাতিত ও মাঠের কর্মীদের মনোবলকে উজ্জীবিত করেছে।
তারা বলছেন—
“হাই কমান্ড যাদের নমিনেশন দিয়েছে, আমরা সবাই তাদের পক্ষে আছি। আমরা সবাই মিলে ভোট দেবো ধানের শীষে ।”
নীতিতে অটল তারেক রহমান বহু আগেই তারেক রহমান ঘোষণা দিয়েছিলেন—
“এক পরিবার থেকে একাধিক ব্যক্তিকে নমিনেশন দেওয়া হবে না, সে যে-ই হোক।”
দল এবার সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবে রূপ দিয়েছে।
রাজনীতিতে নীতির এমন প্রয়োগ বিএনপিকে নতুনভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে—পরিবার নয়, আদর্শই মুখ্য।’
যারা এবার তালিকায় নেই মনোনয়ন না পাওয়া শীর্ষ নেতাদের তালিকায় রয়েছেন—সেলিমা রহমান, শামসুজ্জামান দুদু, মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, আসাদুজ্জামান রিপন, আসলাম চৌধুরী, মেসবাহুর রহমান, হাসনা মওদুদ, হাবিব উন নবী খান সোহেল, নাজিম উদ্দিন আলম, ফজলে আজিম ও মামুন হাসান প্রমুখ।
তৃণমূলের নেতাকর্মীরা বলছেন—“রাজনীতিতে শেষ বলে কিছু নেই। ইনশাআল্লাহ, যাদের এবার মনোনয়ন দেওয়া হয়নি, তাদের জন্যও সামনে ভালো কিছু আসবে।”
বিএনপির এই নীতিনিষ্ঠ অবস্থান বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন বার্তা দিয়েছে।
দলীয় সূত্র বলছে, ত্যাগী নেতাদের প্রাধান্য ও পরিবারতন্ত্রের অবসান— এই দুটি বিষয় বিএনপিকে আরও শক্ত ভিত্তিতে দাঁড় করাবে।
আরও পড়ুন…

















