মো. রিয়াজুল সোহাগ, নিউজ ডেস্কঃ
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, “মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রদর্শিত ন্যায়পরায়ণতা, ইনসাফ ও সাম্যের আদর্শকে ধারণ করেই আমরা আগামীতে দেশ পরিচালনার চেষ্টা করবো।” বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর অদূরে পূর্বাচলে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আজকের দিনটি যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন বা শুভ বড়দিন হওয়ায় তারেক রহমান শুরুতেই খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, “বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। আজ বড়দিনের এই আনন্দের দিনে আমরা সবাই মিলে একটি বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার শপথ নিচ্ছি, যেখানে প্রতিটি নাগরিক তার ধর্মীয় ও নাগরিক অধিকার পূর্ণভাবে ভোগ করবেন।”
দীর্ঘ প্রবাস জীবন শেষে তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে পূর্বাচলের ‘৩০০ ফিট’ এলাকায় নেতাকর্মীদের ঢল নামে। সকাল থেকেই ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে হাজার হাজার মানুষ সেখানে জড়ো হন। তারেক রহমান যখন অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান, তখন স্লোগানে স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে। তিনি একটি বিশেষ বুলেটপ্রুফ বাসে চড়ে অনুষ্ঠানস্থলে আসেন এবং হাত নেড়ে জনতার অভিবাদনের জবাব দেন।

বক্তব্যে তিনি বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, দেশের মানুষ পরিবর্তন চায়। তিনি দুর্নীতিমুক্ত এবং জবাবদিহিমূলক একটি রাষ্ট্রকাঠামো গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য কেবল ক্ষমতায় যাওয়া নয়, বরং মানুষের হারানো অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা। নবী করীম (সা.) যেভাবে ইনসাফ কায়েম করেছিলেন, সেই আদর্শই হবে আমাদের প্রেরণা।”
তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পাশাপাশি বিএনপির পক্ষ থেকেও বিশাল স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল যাতে সাধারণ মানুষের চলাচলে কোনো ভোগান্তি না হয়। সমাবেশ শেষে তিনি নেতাকর্মীদের শান্তিপূর্ণভাবে নিজ নিজ গন্তব্যে ফেরার অনুরোধ জানান।
অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যবৃন্দ, কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন, সংবাদটি শেয়ার করুন…………

















