
মো.রিয়াজুল সোহাগ, নোয়াখালী|
নোয়াখালী সদর উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের বাণিজ্যিক কেন্দ্র ভাটিরটেক চৌমুহনী বাজারে একটি জমির মালিকানা নিয়ে স্থানীয় সম্মানিত ব্যক্তিদের জড়িয়ে ভিত্তিহীন ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ উঠেছে। দালিলিক তথ্য গোপন করে এলাকার শান্তিপ্রিয় ব্যক্তিদের ‘চাঁদাবাজ’ ও ‘দখলবাজ’ হিসেবে আখ্যা দেওয়ার এই ঘটনাকে ‘সুপরিকল্পিত চরিত্রহনন’ বলে দাবি করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, একটি বিশেষ পক্ষ নিজেদের ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে গণমাধ্যমকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে ভাটিরটেক চৌমুহনী এলাকায় জনমনে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।
প্রকৃত তথ্য ও দালিলিক প্রমাণ: অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বিএস ৫৩০৪ দাগের অন্তর্গত ২ শতাংশ জমির বর্তমান বৈধ মালিক মোঃ মহসিন। তিনি গত ০২/১১/২০২৫ তারিখে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল নম্বর ১২৩৬১ মূলে এই জমি ক্রয় করেন। ইতিমধ্যে তিনি সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয় থেকে নামজারি (খতিয়ান নং ২৫-৪৯৪১) সম্পন্ন করেছেন এবং নিয়মিত সরকারি ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) পরিশোধ করে আসছেন।
চৌহদ্দি বিশ্লেষণ: দলিলের নকশা ও ১২ নম্বর কলাম অনুযায়ী, উক্ত জমির পূর্ব পাশে সরাসরি সরকারি পাকা রাস্তার (জেলা প্রশাসকের ১/১ খতিয়ানভুক্ত) অবস্থান। উত্তর, দক্ষিণ ও পশ্চিম পাশে যথাক্রমে ছায়েদুল হক, মোঃ সুমন ও নূর নবী শিকদারের জমি রয়েছে। দলিলে বর্ণিত এই সীমানার কোথাও অভিযোগকারী নুর মোহাম্মদ মিয়ার কোনো স্বত্ব বা পাশের মালিকানা উল্লেখ নেই।
সামাজিক ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ: প্রকাশিত সংবাদে এলাকার শান্তিপ্রিয় ব্যক্তিদের রাজনৈতিক তকমা দিয়ে ‘চাঁদাবাজ’ হিসেবে আখ্যায়িত করার বিষয়টিকে ‘চরিত্রহনন’ হিসেবে দেখছেন এলাকাবাসী। স্থানীয় সমাজসেবক অলি উদ্দিন মিলন ও অন্যদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা মূলত প্রকৃত সত্য থেকে মানুষের দৃষ্টি ফেরানোর একটি অপকৌশল মাত্র। স্থানীয়দের মতে, নুর মোহাম্মদ মিয়া নিজের স্বপক্ষে কোনো হালনাগাদ রেকর্ড দেখাতে না পেরে গণমাধ্যমকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছেন।
বিবৃতি:
প্রতিবাদকারীরা জানিয়েছেন, “দালিলিক প্রমাণ যার পক্ষে, মালিকানা তার। যারা সাংবাদিকতাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে অন্যের ব্যক্তিগত সম্মান নষ্ট করছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তারা আরও জানান, বিষয়টি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যানসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নলেজে রয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এর চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হবে।
ভবিষ্যতে এ ধরনের একপক্ষীয় ও ‘ইর্ষান্বিত’ সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সংবাদ মাধ্যমকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
আরও জানতে চোখ রাখুন…
















