
নিউজ ডেস্ক অনলাইন,বিডিনিউজ টুয়েন্টি ফোর:
দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে আত্মগোপনে থাকার পর অবশেষে গ্রেপ্তার হয়েছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম হত্যাকাণ্ডের মামলায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মোজাফফর হোসেন।আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি বিশেষ দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ১৯৮১ সালের ৩০শে মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সংঘটিত ইতিহাসের অন্যতম বর্বরোচিত ও নৃশংস সেনা অভ্যুত্থানে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর থেকেই আসামি মোজাফফর হোসেন সুকৌশলে আত্মগোপনে ছিলেন। তার ওপর আদালতের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় ঝুললেও দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে তিনি দেশের ভেতরে ও বাইরে ঘন ঘন অবস্থান পরিবর্তন করে আসছিলেন। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। প্রযুক্তিগত নজরদারি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অবশেষে তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।
১৯৮১ সালের ৩০শে মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে একদল বিপথগামী সেনা কর্মকর্তার হাতে নির্মমভাবে নিহত হন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। এই ঘটনায় দেশজুড়ে তুমুল আলোড়ন সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত মোজাফফর হোসেনকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
> মোজাফফর হোসেনের এই গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়ার একটি দীর্ঘদিনের ঝুলে থাকা ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় পূর্ণতা পেল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট আইনজ্ঞ ও সচেতন মহল।
এই বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান আসামি মোজাফফর হোসেনকে গ্রেপ্তারের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। তিনি দীর্ঘদিন কীভাবে এবং কাদের আশ্রয়ে পলাতক ছিলেন, সে বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।”
>
এই চাঞ্চল্যকর গ্রেপ্তারের বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য, তার পলাতক জীবনের অজানা অধ্যায় এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের সর্বশেষ আপডেট জানতে চোখ রাখুন **বিডিনিউজ24**-এর পাতায় ও অনলাইন পোর্টালে…

















