
স্টাফ রিপোর্টার।।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের সঠিক রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি, পুনর্বাসন ও দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা ও আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘জাতীয় জুলাই কনফারেন্স-২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের মূল ও গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
-
- জাতীয় অর্জন: প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, “৫ই আগস্টের অর্জন কোনো একক ব্যক্তি বা দলের নয়। এটি এ দেশের সর্বস্তরের গণতন্ত্রকামী সাধারণ নাগরিক, ছাত্র ও জনতার সম্মিলিত ত্যাগের ফসল।”
- শহীদ ও আহতদের পুনর্বাসন: অভ্যুত্থানে যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন এবং যারা পঙ্গুত্ব বরণ করে চিকিৎসাধীন আছেন, তাদের রাষ্ট্রীয়ভাবে সর্বোচ্চ সম্মাননা দেওয়া হবে। আহতদের দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন ও তাদের পরিবারের জীবিকা নির্বাহে সরকার পাশে থাকবে।
- জাতিসংঘের প্রতিবেদন ও বিচার নিশ্চিতকরণ: আন্দোলনে শিশু নিহতের ঘটনায় জাতিসংঘের গভীর উদ্বেগ ও রিপোর্টের প্রেক্ষিতে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এই গণ-আন্দোলনে যারা নির্মম হত্যাকাণ্ড ও অপরাধের সাথে জড়িত ছিল, সুষ্ঠু বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের প্রত্যেকের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।
”যাঁদের রক্ত ও ত্যাগের বিনিময়ে আমরা আজ নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছি, তাঁদের অবদানকে রাষ্ট্র কখনো ভুলে যাবে না। প্রতিটি শহী পরিবার এবং আহতদের দায়িত্ব নেওয়া আমাদের পবিত্র দায়িত্ব।”
— প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
কনফারেন্সে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্য, চিকিৎসাধীন আহত ব্যক্তিবর্গ, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে আহতদের চিকিৎসায় গৃহীত বর্তমান পদক্ষেপ এবং দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন পরিকল্পনার একটি খসড়া রূপরেখা উপস্থাপন করা হয়।
আরও জানতে চোখ রাখুন…


















