
চলচ্চিত্রকর্মীদের দীর্ঘদিনের দাবির মুখে সেন্সর বোর্ড বাতিল করে গঠিত হয়েছে ‘চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড’। এ ‘সার্টিফিকেশন’ বোর্ডের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কোনো সিনেমাই এখন থেকে নিয়মের বেঁড়াজালে ঝুলে থাকবে না।
শা করা হচ্ছে, নতুন জারি হওয়া প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে দীর্ঘ ৬০ বছরের সেন্সর বোর্ডে সিনেমা ঝুলে থাকার সংস্কৃতির অবসান হবে ঢালিউড ইন্ডাস্ট্রির। এতোদিন ১৯৬৩ সালের পুরনো আইন অনুসরণ করে চলছিল সেন্সর বোর্ড। যে কারণে নানা নিয়মের বেঁড়াজালে প্রায়ই আটকে যেত নতুন নির্মিত সিনেমা।
দীর্ঘদিন ধরে সেন্সরে সিনেমা আটকে থাকার সমস্যায় আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিলেন সিনেমা নির্মাণের কারিগর প্রযোজক ও পরিচালকরা। মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছিলেন আটকে থাকা সিনেমায় অভিনয় করা অভিনয়শিল্পীরা। সে সমস্যার সমাধানেই সংস্কারের দাবি তোলেন চলচ্চিত্রকর্মীরা।
দেশে সরকার পতনের পর এবার ঢালিউড ইন্ডাস্ট্রির দীর্ঘদিনের এ সমস্যার সমাধানে এগিয়ে এসেছে সংস্কারবাদী সরকার। বর্তমান সময়ের উপযোগী করে ‘সেন্সর বোর্ডের’ নাম পরিবর্তন করে গঠিত করা হয়েছে ‘চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড’। এ বোর্ড বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেট আইন, ২০২৩-এর ধারা ৩-এর উপ-ধারা (১) অনুযায়ী পুনর্গঠন করা হয়।
সেন্সর বোর্ডের’ পুরনো ১৩ সদস্যসহ সর্বমোট ১৫ সদস্যের একটি নতুন কমিটি তৈরি করা হয়েছে বর্তমান ‘সার্টিফিকেশন’ বোর্ডে। সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, এ বোর্ডের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব।
নতুন বোর্ডের কাজ ২০২৩ সালের গেজেটেড আইনের বিধিমালা অনুযায়ী শুরু হবে। তবে ২০২৩ সালে সেন্সর সার্টিফিকেশন বোর্ডের যে আইন করা হয়েছে সেটির কোনো বিধিমালা এখনও তৈরি হয়নি।
তাই দ্রুততম সময়ের মধ্যে সেই বিধিমালা তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। যার একটি ছুরি কাঁচি চালিয়ে ছবি মুক্তি আটকানো যাবে না। বরং অন্যান্য দেশের মতো দর্শকের বয়স অনুযায়ী, গ্রেড হয়ে যাবে সিনেমার ধরন।


















