
নিজস্ব প্রতিবেদক, চুয়াডাঙ্গা |
চুয়াডাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত ইসলামী কর্মীদের মধ্যে এক ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। দফায় দফায় চলা এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৩ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহতদের উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বিকেলে দলীয় কর্মসূচি ও এলাকায় প্রভাব বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এর এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে একে অপরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সংঘর্ষ চলাকালীন বেশ কয়েকটি দোকানপাট ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণের শব্দে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সেকেন্দার আলী জানান, “খবর পাওয়ার সাথে সাথেই আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেছি। বর্তমানে এলাকা পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কোনো পক্ষ থেকে এখনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি, তবে জড়িতদের চিহ্নিত করতে তদন্ত চলছে।”
তিনি আরও বলেন, শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে এবং যেকোনো ধরনের নাশকতা ঠেকাতে পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে। বিএনপি ও জামায়াতের স্থানীয় নেতারা এই ঘটনার জন্য একে অপরকে দায়ী করেছেন। তবে এ নিয়ে জেলা পর্যায়ের কোনো শীর্ষ নেতার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।
আরও জানতে চোখ রাখুন…


















