
🧲 স ম জিয়াউর রহমান, চট্টগ্রাম
বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় লিমিটেডের (মিল্ক ভিটার) নব-নির্বাচিত পরিচালক রুবি আকতার বলেছেন, চট্টগ্রামের পটিয়া দুগ্ধ শীতলীকরণ কেন্দ্রকে পুর্নাঙ্গ কারখানায় বাস্তবায়ন হলে এলাকার হাজারো খামারী লাভবান হবেন। মিল্ক ভিটার উদ্যােগে খামারীদের গরু পালনে ঋন বিতরন ও প্রশিক্ষণের উদ্যাগ নেওয়া হবে। মিল্ক ভিটার কারখানা ইউনিট টু কর্ণফুলী উপজেলার চরলক্ষ্যা ইউনিয়নে কাজ চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে কাজের ৭০% সম্পন্ন হয়েছে। বাকী কাজ দ্রুত শেষ করবো। এটি পুর্নাঙ্গ কারখানায় বাস্তবায়ন হলে মিল্ক ভিটার পণ্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে খুব সহজে বাজারজাত করা যাবে এবং খামারীরা দুধের বাড়তি টাকা পাবে।
১৫ নবেম্বর (শনিবার) রাতে মিল্ক ভিটার এ পরিচালক কর্ণফুলী উপজেলার দুগ্ধ সমবায় সমিতির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময়কালে উপরোক্ত কথা বলেন।
মিল্ক ভিটার চট্টগ্রামের মার্কেটিং ম্যানেজার মনির আহমদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এ মত বিনিময় সভার শুরুতে দুগ্ধ সমবায়ীরা পরিচালক রুবি আকতারকে ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানান। এসময় ৪টি কেন্দ্রীয় দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় সমিতি ও ৬০টি প্রাথমিক সমবায় সমিতির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এতে বক্তব্য রাখেন পটিয়া দুগ্ধ শীতলীকরণ কেন্দ্রের ডা: হীমান্তী বড়ুয়া, পুৃর্ব পটিয়া কেন্দ্রীয় দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি মো: আমিন, কর্নফুলী কেন্দ্রীয় দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় সমিতি লিমিটেডের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবুল কালাম, জুলধা কেন্দ্রীয় দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি মোহাম্মদ ফোরকান, আনোয়ারা-চন্দনাইশ কেন্দ্রীয় দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি হাসিনা আকতার, খামারী জালাল উদ্দীন, মো: ইউসুফ, রিদোয়ান, মো: হেলাল, আবুল কালাম, মাকসুদুল ইসলনম, মো: হারুন, মো: ইলিয়াছ, এসএম বাহা উদ্দিন, মো: আসাদুজ্জামান, মো: কাওসার শাহ, আমিনুল ইসলাম, ইকবাল, মোহাম্মদ বেলাল।
মিল্ক ভিটার পরিচালক রুবি আকতার আরো বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পটিয়া দুগ্ধ শীতলীকরণ কেন্দ্র থেকে দুধ গাড়িতে করে ঢাকা মিরপুরস্থ মিল্ক ভিটার কারখানায় পাঠানো হতো। সেখানে দুধ প্রসিং করে পুনরায় চট্টগ্রাম অঞ্চলে নিয়ে আসতো। যার কারণে পরিবহন খরচ দ্বিগুণের বেশি হয়। পটিয়ার কারখানাটি পুর্নাঙ্গে রূপে বাস্তবায়ন হলে বাজারজাত সহজ হবে এবং খামারীরা লাভবান হবেন।
















