
🧲 বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডেস্ক
ক্ষণস্থায়ী পৃথিবী মুমিনের জন্য পরীক্ষার হলের মতো। পরকালে সফল হতে অবশ্যইএই পরীক্ষায় সফলকাম হতে হবে। এরপরই মিলবে কাঙ্ক্ষিত জান্নাত। পবিত্র কুরআনেখোদ মহান রব ঘোষণা দিয়েছেন, ‘হে নবী আপনি তাদের বলে দিন– যদি তোমরাআল্লাহকে ভালোবাসো, তাহলে আমার অনুসরণ করো, আল্লাহ তোমাদের ভালবাসবেনএবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করে দেবেন। আর আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল, পরমদয়ালু…(সুরা আল–ইমরান, আয়াত: ৩১)।
অপর আয়াতে ইরশাদ হয়েছে, ‘জমিনের ওপর যা কিছু আছে আমি সেগুলোরশোভাবর্ধন করেছি, যাতে আমি মানুষকে পরীক্ষা করতে পারি যে, আমলের ক্ষেত্রেকারা উত্তম।’ (সুরা কাহাফ, আয়াত: ৭)
এজন্য পরকালে সফলকাম হতে বিভিন্ন সময়ে বর্ণিত হাদিসে উম্মতদের নানা বিষয়েযেমন আদেশ–নিষেধের কথা জানিয়েছেন নবীজি, তেমনি বাতলে দিয়েছেন মহান রবেরসন্তুষ্টি অর্জনের পথও। এরমধ্যে একটি হাদিসে কিয়ামতের দিন সবচেয়ে উত্তমআমলকারীর বিষয়ে বর্ণনা এসেছে।
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসটি হলো, রাসুল (সা) বলেছেন– যে ব্যক্তি সকালেও সন্ধ্যায় ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী’ (سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ– অর্থ: আল্লাহ পবিত্র ও সমস্ত প্রশংসা তাঁরই) একশ’ বার পাঠ করে কিয়ামতের দিনে তার চেয়ে উত্তম আমলেকেউ আসবে না। তবে সে ছাড়া, যে ব্যক্তি তদনুরূপ আমল করে কিংবা তার চেয়েআরও বেশি আমল করে। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৬৫৯৯)
তিরমিজির একটি হাদিসেও এ বিষয়ে বর্ণনা এসেছে– রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে লোক সকালে ও বিকেলে একশত বার বলে– ‘সুবহানাল্লাহিওয়া বিহামদিহী’, কিয়ামতের দিন তার চাইতে উত্তম (আমলকারী) আর কেউ হবে না।তবে যে লোক তার ন্যায় কিংবা তার চাইতে অধিক পরিমাণ তা বলে (সে উত্তমআমলকারী বলে গণ্য হবে)। (সুনান আত তিরমিজি, হাদিস: ৩৪৬৯)
শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিন।
আরও পড়ুন…


















