
🖼️মোঃ শান্ত খান,ঢাকা জেলা প্রতিনিধি:
নেতৃত্বের গুণাবলী সবার মধ্যে থাকে না। একজন প্রকৃত নেতা তিনিই যিনি কর্মীর মনের ভাষা পড়তে পারেন, চোখের দিকে তাকালেই কর্মীকে বুঝতে পারেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলের একজন কর্মীর নামও স্মরণ রাখতে পারেন-আমাদের সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছিলেন এমনি একজন ক্যারিশমাটিক নেতা, তাঁর সুযোগ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরতœ বেগম খালেদা জিয়া ও রাষ্ট্রনায়ক বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একই গুণের অধিকারী দূরদর্শী রাজনৈতিক। নেতা যদি প্রকৃত কর্মীকে চিনতে না পারেন, কর্মীর মনের ভাষা পড়তে না পারেন, কর্মীর বিপদে-সংকটে সাধ্যমতো পাশে দাঁড়াতে না পারেন-তিনি নেতা নন, তিনি অভিনেতা।
নেতা যদি প্রকৃত কর্মীকে চিনতে না পারেন, কর্মীর মনের ভাষা পড়তে না পারেন, কর্মীর বিপদে-সংকটে সাধ্যমতো পাশে দাঁড়াতে না পারেন-তিনি নেতা নন, তিনি অভিনেতা। সাভারবাসী সৌভাগ্য তারা এমনি একজন নেতাকে পেয়েছেন যিনি ক্ষমতায় থাকার সময়ও যেমন দলীয় সর্বস্তরের নেতাকর্মীসহ সর্বসাধারণের পাশে দাঁড়িয়েছেন, ক্ষমতার বাহিরে থেকেও সমভাবে ছিলেন নেতাকর্মীদের পাশে, সাধারণ মানুষের পাশে। তিনি ঢাকা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্মসম্পাদক ও মেয়র প্রার্থী মোঃ খোরশেদ আলম।
তিনি সাভার ও আশুলিয়া গর্ব, সাভার বাসীর অহংকার, তাদের প্রাণের নেতা, সাভারে সত্যিকারের উন্নয়নের রূপকার ও সফল বাস্তবায়নকারি। সাভারের নিয়ে এবং সাভারবাসীকে নিয়ে তার ভাবনা অনেক বছরের অধিককাল ধরে।
বিগত কয়েক বছর পর পর দু’বার বিপুল ভোটের ব্যবধানে সাভার পৌর কাউন্সিলর ছিলেন বিএনপি নেতা মোঃ খোরশেদ আলম ভাই। সাভারের সর্বস্তরের মানুষের অবাধ যাতায়াত ছিলো তার কার্যালয় ও বাসভবনে। তিনি কর্মীদের সবসময় আগলে রাখতেন, এখনও রাখেন। ছিলেন ছাত্রনেতা, হয়েছেন জননেতা, ঢাকা জেলার যুবদলের ছিলেন সাবেক সিনিয়ার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, পরবর্তীতে ঢাকা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্মসম্পাদক ছিলেন।
মাঝখানে নানা ষড়যন্ত্রের চক্রান্তে বিগত বছরে দলে কোন পদবি না থাকা সত্ত্বেও দলীয় নেতাকর্মীদের তিনি কখনো পিতা, কখনো ভাইয়ের মতো আগলে রেখেছেন। এখনও একজন সাভার পৌর মেয়র পদপ্রার্থী ও উন্নয়ন পাগল অত্যন্ত ব্যস্ত একজন মানুষ হয়েও সাভার ও ঢাকায় নেতাকর্মীদের সর্বোচ্চ সময় দেন, তাদের কথা মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং সমাধানের চেষ্টা করেন আন্তরিকভাবে।
হাজারো ব্যস্ততার মাঝেও যে কোন ফোনই তিনি রিসিভ করেন, সময় নিয়ে কথা বলেন, অথচ জানামতে এমন অনেক নেতাকে জানি কর্মীর চরম বিপদে-সংকটে দিনের পর দিন শতটা ফোন দিলেও তা রিসিভ করেন না কিংবা কেটে দেন! এ জাতীয় নেতা, নেতা নন, আগেই বলেছি এরা অভিনেতা, রঙ্গমঞ্চে এরা অভিনয় শেষে একসময় নিজেকে আড়াল করে নেন। মোঃ খোরশেদ আলম ভাই আমার নেতা, আমার বড় ভাইয়ের নেতা, আমার ছোট ভাইয়ের নেতা। বিগত বছরেরও অধিককাল তিনি আমাদের প্রাণের নেতা, ভালোবাসার নেতা।
ব্যাপক সমর্থন ও জনপ্রিয় তাও ছিল আমার সে সময়, কিন্তু আমার বড় ভাই যিনি অনেক আগে হতেই মোঃ খোরশেদ আলম ভাইয়ের কর্মী ও ঢাকা জেলার বিএনপির নির্বাচিত যুগ্মসম্পাদক ছিলেন, সে বারও নির্বাচন করবেন, সে কারণে সিনিয়র নেতাদের অনুরোধে সরে দাঁড়াই।
তিনি এমন একজন ক্যারিশমাটিক নেতা যাকে দেখলে মনের গভীর হতে এমনিতেই শ্রদ্ধা, আস্থা এবং ভালোবাসা নিঃসৃত হয়। প্রায়ই খোঁজ খবর নেন, আমি ব্যবসা করি, পাশাপাশি লেখা লেখি। তার মুখস্থ এটা। সেদিনও সামনাসামনি জিজ্ঞাসা করলেন ‘ব্যবসার কি অবস্থা, ব্যবসা কেমন চলছে? কোন সমস্যা?।’ যদিও বৈশ্বিক নানা কারণে আমার ব্যবসা ভালো যাচ্ছে না কয়েক বছর ধরেই। আমি তার অনেক বছরের অনেক পুরানো কর্মী। আমি আমার কোন সমস্যার কথাই কখনও বলিনি স্বেচ্ছায়- তিনি তো কর্মীবান্ধব নেতা ঠিকই বুঝতে পেরেছেন আমার মনের ভাষা। এমন কর্মীবান্ধব নেতার একজন কর্মী হওয়া সত্যি সৌভাগ্যের বিষয়।
খোরশেদ আলম ভাই এমনি মানবিক ও কর্মীবান্ধব একজন নেতা। যার জন্য সাভারবাসী আজ গর্ব করে বুকে হাত দিয়ে বলতে পারে ‘আমাদের একজন মোঃ খোরশেদ আলম আছে, সে খোরশদ জনতার’।


















