
নিজস্ব প্রতিবেদক |সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় একটি শ্মশানের নামকরণ ও মরদেহ সৎকারকে কেন্দ্র করে হিন্দু সম্প্রদায়ের দুই পক্ষের অভ্যন্তরীণ বিরোধের ঘটনাকে ‘সংখ্যালঘু নির্যাতন’ হিসেবে প্রচারের অপচেষ্টা শনাক্ত করেছে সরকার। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের ফ্যাক্ট-চেকিং পেজে এক পোস্টে এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।

উল্লাপাড়া উপজেলার ঘোষগাতি এলাকায় একটি শ্মশানের নাম পরিবর্তন নিয়ে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছে। ৫ আগস্টের আগে এর নাম ছিল ‘উল্লাপাড়া মহাশ্মশান’, যা বর্তমানে স্থানীয় একটি কমিটি ‘ঘোষগাতি মহাশ্মশান’ হিসেবে পরিবর্তন করেছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) ঝিকিরা গ্রামের এক বৃদ্ধার মরদেহ সৎকার করতে গেলে শ্মশানের চাবি দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ টি এম আরিফ জানান, এটি সম্পূর্ণ হিন্দু সম্প্রদায়ের অভ্যন্তরীণ একটি বিরোধ। মাইকিংয়ে শ্মশানের নাম ভুল বলাকে কেন্দ্র করে এক পক্ষ চাবি দিতে অস্বীকৃতি জানালে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে চাবি দেওয়া হয় এবং শান্তিপূর্ণভাবে সৎকার সম্পন্ন হয়।
প্রেস উইংয়ের ফ্যাক্ট চেক: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, এই স্থানীয় ও অভ্যন্তরীণ বিষয়টি আড়াল করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একে ‘সংখ্যালঘু নির্যাতন’ বা সাম্প্রদায়িক হামলার রূপ দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই ধরনের বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার থেকে দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রেস উইং স্পষ্ট করেছে যে, এই ঘটনার সাথে সাম্প্রদায়িকতার কোনো সম্পর্ক নেই।আরও পড়ুন…..
Facebook Comments Box


















