
নিজস্ব প্রতিবেদক, নোয়াখালী |
নোয়াখালী বেগমগঞ্জে ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫-এ যোগদানের পর থেকেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ৩৮তম বিসিএস ব্যাচের চৌকস কর্মকর্তা এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাদাত হোসেন। মেঠোপথ থেকে মহাসড়ক— জনস্বার্থ রক্ষায় তার আপসহীন অবস্থান এখন পুরো উপজেলার ‘টক অব দ্য টাউন’।
বালু-ইটের অবৈধ পাহাড় ও জনভোগান্তি: দীর্ঘদিন ধরে সড়কের পাশে বালু ও ইটের স্তূপ রেখে ব্যবসা করছিল একদল প্রভাবশালী চক্র। এর ফলে জনগণের চলাচলে সৃষ্টি হচ্ছিল চরম ভোগান্তি।
যোগদানের পরপরই এই অনিয়মের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন তিনি। গত কয়েক দিনের অভিযানে সড়কের পাশের অবৈধ নির্মাণ সামগ্রী সরিয়ে নিতে বাধ্য করেছেন তিনি।
জরিমানা নয়, এবার সরাসরি সিলগালা: অভিযানে কেবল জরিমানাই তার লক্ষ্য নয়; বরং স্থায়ী সমাধান চান এই স্মার্ট অফিসার। তিনি কঠোর বার্তা দিয়েছেন— “প্রথমবার সতর্কতা ও জরিমানা, কিন্তু দ্বিতীয়বার একই অপরাধ করলে প্রতিষ্ঠান সরাসরি সিলগালা করা হবে।” তার এই আল্টিমেটামে অবৈধ দখলদারদের মধ্যে এখন রীতিমতো নাভিশ্বাস শুরু হয়েছে।
জনমনে স্বস্তি: সরেজমিনে দেখা গেছে, শাদাত হোসেনের সাহসিকতাপূর্ণ পদক্ষেপের ফলে স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের দাপট ও জনভোগান্তি অনেকাংশেই কমে এসেছে। সাধারণ মানুষ বলছেন, দীর্ঘদিন পর এমন একজন আপসহীন কর্মকর্তার দেখা মিলেছে যাকে জনস্বার্থ রক্ষায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ মনে হচ্ছে।
একনজরে অভিযানের প্রভাব: * জিরো টলারেন্স: সড়কের পাশে অবৈধ বালু ও ইট রাখার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান।
*তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা: স্পটে গিয়ে সাহসিকতার সাথে জরিমানা ও চূড়ান্ত সতর্কতা প্রদান।
*ভবিষ্যৎ হুঁশিয়ারি: পুনরায় অনিয়ম পেলে সরাসরি সিলগালা বা বন্ধের ও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা।
* জনপ্রীতি: সরকারি কর্মকর্তার এমন নির্ভীক ও স্মার্ট পদক্ষেপে স্থানীয়দের ব্যাপক প্রশংসা।
প্রশাসনের এমন কঠোর হস্তক্ষেপে বেগমগঞ্জের সড়কে যেমন ফিরেছে শৃঙ্খলা, তেমনি সাধারণ মানুষের মনে ফিরেছে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত স্বস্তি।
আরও জানতে চোখ রাখুন…
















