
স্টাফ রিপোর্টার |
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শীর্ষ নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে বড় ধরনের রদবদল করা হয়েছে। সেনাবাহিনীর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও দ্বিতীয় শীর্ষ পদ হিসেবে পরিচিত ‘চিফ অব জেনারেল স্টাফ’ (সিজিএস) পদে নিয়োগ পেয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাইনুর রহমান। একইসাথে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের বর্তমান প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসানকে সেনাবাহিনী থেকে সরিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
কমান্ডে যারা নতুন মুখ
রবিবার (২২শে ফেব্রুয়ারি) রাতে প্রকাশিত এক আদেশে এই রদবদলের খবর সামনে আসে। নতুন দায়িত্বে আসা কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন:
* লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাইনুর রহমান: তিনি আর্টডকের জিওসি থেকে এখন সেনাবাহিনীর নতুন সিজিএস হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
* মেজর জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান: তাকে সেনাবাহিনীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি কমান্ডে স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে।
* ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কায়সার রশীদ: তিনি পদোন্নতি বা গুরুত্বপূর্ণ নতুন দায়িত্বে পদায়ন পেয়েছেন।
* মেজর জেনারেল জে এম ইমদাদুল ইসলাম: তাকেও সেনাবাহিনীর শীর্ষ স্তরের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আনা হয়েছে।
* মেজর জেনারেল মো. হাফিজুর রহমান: তিনি বাহিনীর প্রশাসনিক বা অপারেশনাল কোনো একটি বিশেষ শাখার দায়িত্ব পেয়েছেন।
রদবদলের নেপথ্যে
বিডিনিউজ24 অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত ৫ই আগস্টের পর সেনাবাহিনীতে চলমান অভ্যন্তরীণ সংস্কার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই এই বড় পরিবর্তন। সিজিএস পদটি সেনাবাহিনীর অপারেশনাল এবং গোয়েন্দা কার্যক্রমের প্রাণকেন্দ্র। লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাইনুর রহমানের মতো অভিজ্ঞ কর্মকর্তার হাতে এই দায়িত্ব তুলে দেওয়াকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা। অন্যদিকে, এস এম কামরুল হাসানকে কূটনীতিতে বদলি করার মাধ্যমে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগেও (এএফডি) নতুন নেতৃত্ব আসার পথ সুগম হলো।
আলোচনার কেন্দ্রে যারা
এই রদবদলের তালিকায় লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাইনুর রহমান ছাড়াও মেজর জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কায়সার রশীদ, মেজর জেনারেল জে এম ইমদাদুল ইসলাম এবং মেজর জেনারেল মো. হাফিজুর রহমানের নাম বিশেষভাবে উঠে এসেছে। এই কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্ব এবং বাহিনীর ভেতরে তাদের ক্লিন ইমেজকে গুরুত্ব দিয়েই নতুন পজিশনে বসানো হয়েছে বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে।
বাহিনীর অভ্যন্তরে কাজের গতিশীলতা বাড়ানো এবং চেইন অব কমান্ডকে আরও সুসংহত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খুব শীঘ্রই এই আদেশের পূর্ণ বাস্তবায়ন শুরু হবে বলে সেনানিবাস সূত্রে জানা গেছে।
আরও জানতে চোখ রাখুন…


















