
কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ৭ নং মুছাপুর ইউনিয়নসহ সংলগ্ন এলাকায় মারাত্মক সার ও কীটনাশক সংকট দেখা দিয়েছে। সঠিক সময়ে পর্যাপ্ত সার ও প্রয়োজনীয় কীটনাশক না পাওয়ায় আমন ও রবি মৌসুমে প্রায় দুই হাজার কৃষক চরম দুর্ভোগ ও ব্যবসায়িক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। ফসল রক্ষা ও উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে ডিলারশিপের মাধ্যমে দ্রুত সুষম সার সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী স্থানীয় কৃষকেরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড, চৌধুরী বাজার ও আশপাশের অঞ্চলের কৃষকেরা দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজন অনুযায়ী সারের সরবরাহ পাচ্ছেন না। সঠিক সময়ে সার প্রয়োগ করতে না পারায় ক্ষেতের ফসল নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এতে বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন এ অঞ্চলের কৃষিজীবী মানুষ।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের অভিযোগ, বাজারে চাহিদা অনুযায়ী সার ও কীটনাশক পাওয়া যাচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রে চড়া দামে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে রাখা হচ্ছে। কৃষকদের এ সংকট নিরসনে স্থানীয় পর্যায়ে নতুন ও অভিজ্ঞ ডিলার নিয়োগের জোর দাবি উঠেছে, যাতে প্রান্তিক কৃষকদের হাতের নাগালে সরকারি মূল্যে সার ও প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ পৌঁছানো সম্ভব হয়।
এ বিষয়ে স্থানীয় এক কৃষক জানান, “মৌসুমের শুরুতেই যদি সার ও কীটনাশক না পাওয়া যায়, তবে আমাদের কষ্ট ও বিনিয়োগ পুরোটাই ব্যর্থ হবে। মুছাপুর ও চৌধুরী বাজার এলাকায় অন্তত ২,০০০ কৃষক এখন দিশেহারা। অবিলম্বে সরকারি তদারকি ও পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা দরকার।”
এদিকে স্থানীয় কৃষি সংশ্লিষ্টরা জানান, সার মনিটরিং কমিটির তদারকি বাড়ানোর পাশাপাশি শূন্য পদে বিধি মোতাবেক যোগ্য ও স্বচ্ছ সার ডিলার নিয়োগ করা গেলে এ সংকট দ্রুত সমাধান করা সম্ভব হবে। নোয়াখালী জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটি এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকার অবহেলিত কৃষকেরা।
চরম বিপাকে কোম্পানীগঞ্জের দুই হাজার কৃষক: দ্রুত পদক্ষেপের দাবি
কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি: নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ৭ নং মুছাপুর ইউনিয়নসহ সংলগ্ন এলাকায় মারাত্মক সার ও কীটনাশক সংকট দেখা দিয়েছে। সঠিক সময়ে পর্যাপ্ত সার ও প্রয়োজনীয় কীটনাশক না পাওয়ায় আমন ও রবি মৌসুমে প্রায় দুই হাজার কৃষক চরম দুর্ভোগ ও ব্যবসায়িক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। ফসল রক্ষা ও উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে ডিলারশিপের মাধ্যমে দ্রুত সুষম সার সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী স্থানীয় কৃষকেরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড, চৌধুরী বাজার ও আশপাশের অঞ্চলের কৃষকেরা দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজন অনুযায়ী সারের সরবরাহ পাচ্ছেন না। সঠিক সময়ে সার প্রয়োগ করতে না পারায় ক্ষেতের ফসল নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এতে বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন এ অঞ্চলের কৃষিজীবী মানুষ।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের অভিযোগ, বাজারে চাহিদা অনুযায়ী সার ও কীটনাশক পাওয়া যাচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রে চড়া দামে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে রাখা হচ্ছে। কৃষকদের এ সংকট নিরসনে স্থানীয় পর্যায়ে নতুন ও অভিজ্ঞ ডিলার নিয়োগের জোর দাবি উঠেছে, যাতে প্রান্তিক কৃষকদের হাতের নাগালে সরকারি মূল্যে সার ও প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ পৌঁছানো সম্ভব হয়।
এ বিষয়ে স্থানীয় এক কৃষক জানান, “মৌসুমের শুরুতেই যদি সার ও কীটনাশক না পাওয়া যায়, তবে আমাদের কষ্ট ও বিনিয়োগ পুরোটাই ব্যর্থ হবে। মুছাপুর ও চৌধুরী বাজার এলাকায় অন্তত ২,০০০ কৃষক এখন দিশেহারা। অবিলম্বে সরকারি তদারকি ও পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা দরকার।”
এদিকে স্থানীয় কৃষি সংশ্লিষ্টরা জানান, সার মনিটরিং কমিটির তদারকি বাড়ানোর পাশাপাশি শূন্য পদে বিধি মোতাবেক যোগ্য ও স্বচ্ছ সার ডিলার নিয়োগ করা গেলে এ সংকট দ্রুত সমাধান করা সম্ভব হবে। নোয়াখালী জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটি এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকার অবহেলিত কৃষকেরা।
আরও জানতে চোখ রাখুন…
















