
মো.রিয়াজুল সোহাগ,নিজস্ব প্রতিবেদক:
সিএমপি পুলিশ কমিশনার সম্প্রতি একটি কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন, যেখানে বলা হয়েছে—যদি পুলিশ সদস্য বা তৎপর বিভাগ কোনো ব্যক্তি যে অস্ত্রধারী বলে প্রমাণিত হয় বা তাৎক্ষণিকভাবে জনসুরক্ষার জন্য বিপজ্জনক মনে হয়, তখন সেসব ক্ষেত্রে উৎসাহী বা প্রতিরোধের চেষ্টা না করে প্রয়োজনীয় প্রয়োগে গুলি চালানোর নির্দেশ দিতে পারে। কর্মকর্তারা বলছেন, এটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ; এতে সন্ত্রাসী কার্যক্রমে যুক্ত কাউকে দ্রুত নিরস্ত করা সম্ভব হবে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাবোধ বাড়বে।
নির্দেশনার সমর্থকরা দাবি করেন, ভয়ভিত্তিক অপরাধ ও সশস্ত্র সন্ত্রাস মোকাবিলায় দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রয়োজন। তাদের বক্তব্য—যদি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নির্ধারিত নিয়ম ও রুলস (রুল অব এনগেজমেন্ট) মেনে ব্যবস্থা নেয়, তাহলে তা অপরাধীদের ভীত করবে এবং সড়কে-ঘাটে সাধারণ মানুষের আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনবে।
তবে মানবাধিকারকর্মী ও আইন বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন যে, জীবননাশী সিদ্ধান্ত গ্রহণে কঠোর প্রমাণ ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা দরকার। তারা আরও বলেছেন—নির্বিচার গুলির ঘটনায় অপ্রত্যাশিত ক্ষতি ঘটতে পারে; এজন্য সিএমপিকে রুল অফ এনগেজমেন্ট, পর্যবেক্ষণ ও স্বাধীন তদন্তব্যবস্থা জোরদার করার ওপর জোর দিতে হবে। আইন থেকে উচ্চমাত্রায় বিচ্যুতি বা অনুপ্রবেশের অভিযোগ এলে তা দ্রুত তদন্তের আওতায় নিতে হবে।
পুলিশের তরফ থেকে বলা হয়েছে, নির্দেশ শুধুমাত্র অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির জন্য এবং পুলিশ সদস্যদের জীবন ও জনসাধারণের নিরাপত্তা সুরক্ষায় প্রযোজ্য হবে। বিস্তারিত প্রয়োগবিধি ও নির্দেশাবলী শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
















