
সেন্ট্রাল ডেস্ক:
নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮ সংশোধন করে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নতুন সংশোধনী অনুযায়ী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীক ‘নৌকা’ স্থগিত রেখে মোট ১২০টি প্রতীক প্রার্থী বরাদ্দের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। একইসঙ্গে একক প্রার্থীর নির্বাচনে ‘না’ প্রতীক ব্যবহারের বিধান যুক্ত করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্য পিপল অর্ডার, ১৯৭২ (পিও নং ১৫৫/১৯৭২)-এর ৯৪ অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে নির্বাচন কমিশন এই সংশোধন এনেছে।
সংশোধিত বিধিমালার বিধি-৯ এর উপ-বিধি (১) অনুযায়ী, স্থগিতকৃত প্রতীক (নৌকা) ব্যতিরেকে নির্ধারিত ১২০টি প্রতীকের তালিকা থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। তালিকায় থাকা উল্লেখযোগ্য প্রতীকের মধ্যে রয়েছে—ধানের শীষ, দাঁড়িপাল্লা, লাঙল, উদীয়মান সূর্য, বাইসাইকেল, হাতপাখা, ঈগল, ঘুড়ি, ট্রাক, আলমিরা, কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, ফুটবল এবং একক প্রার্থীর জন্য ‘না’ প্রতীক।
হলফনামা ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পরিবর্তন প্রজ্ঞাপনে নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালার ফরম ও হলফনামাতেও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে:
- ব্যাংক অ্যাকাউন্ট: নির্বাচনি ব্যয় নির্বাহের জন্য প্রার্থীর পাশাপাশি প্রার্থীর মনোনীত ‘নির্বাচনি এজেন্টের অ্যাকাউন্ট নম্বর’ ব্যবহারের সুযোগ যুক্ত করা হয়েছে।
- আয়ের তথ্য দাখিল: হলফনামার সংযুক্তি-১ অনুযায়ী প্রার্থীর স্বামী বা স্ত্রী, সন্তান ও নির্ভরশীলদের আয়কর সংক্রান্ত তথ্য প্রদান করাকে ‘ঐচ্ছিক’ করা হয়েছে। এছাড়া আয়কর রিটার্নের কপি সংযুক্তির বাধ্যবাধকতা শিথিল করে তা দাখিল করা ‘ঐচ্ছিক’ হিসেবে গণ্য হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
- অভিযুক্তের সংজ্ঞা: হলফনামায় ‘অভিযুক্ত’ ব্যক্তির সংজ্ঞায় স্পষ্ট করা হয়েছে যে, কেবল যার বিরুদ্ধে আদালত কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ (চার্জ) গঠিত হয়েছে, তাকেই অভিযুক্ত হিসেবে গণ্য করা হবে।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরও সুনির্দিষ্ট ও সময়োপযোগী করতে এবং আইনি জটিলতা এড়াতেই বিধিমালাতে এই পরিবর্তনগুলো আনা হয়েছে।
“সবশেষ খবরের আপডেট জানতে চোখ রাখুন…

















