
নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা|
বাংলাদেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং নারীশিক্ষার প্রসারে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মরণোত্তর ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’–এ ভূষিত হয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
গতকাল এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের হাত থেকে এই সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা গ্রহণ করেন বেগম খালেদা জিয়ার নাতনি ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। দেশের ইতিহাসের এক অনন্য এবং আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী হয়ে রইল এই আয়োজন।
পুরস্কার প্রদানকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সারাজীবন আপসহীনভাবে গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছেন। বিশেষ করে নারীশিক্ষা এবং তৃণমূলের মানুষের ক্ষমতায়নে তাঁর অবদান বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। আজ এই পুরস্কার প্রদানের মাধ্যমে জাতি তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে।”
মরণোত্তর এই সম্মাননা গ্রহণ করার পর ব্যারিস্টার জাইমা রহমান তাঁর সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “এটি কেবল একটি পুরস্কার নয়, এটি জনগণের নেত্রীর প্রতি সাধারণ মানুষের ভালোবাসার প্রতিফলন। দেশ ও মানুষের জন্য তাঁর যে ত্যাগ, এই সম্মাননা তা আগামী প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।”
অনুষ্ঠানে সরকারের পদস্থ কর্মকর্তা, বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বেগম খালেদা জিয়ার এই প্রাপ্তিতে সারা দেশে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন বার্তা দিয়ে এই ঐতিহাসিক মুহূর্তকে বরণ করে নিচ্ছেন।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের ইতিহাসে বেগম খালেদা জিয়ার নাম জড়িয়ে আছে দীর্ঘ সংগ্রাম আর সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ের সঙ্গে। তাঁর এই মরণোত্তর সম্মাননা প্রাপ্তিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা দেখছেন এক ঐতিহাসিক ন্যায়বিচার হিসেবে।
আরও জানতে সাথে থাকুন…


















