
এককভাবে কেউ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় চার বড় নগর নিগমের নিয়ন্ত্রণ নির্দল প্রার্থীদের হাতে।
ভারত ব্যুরো, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম||
ভারতের রাজস্থানে অনুষ্ঠিত ৩০৯টি নগর স্থানীয় সংস্থার (পৌরসভা ও মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন) নির্বাচনে বিরোধী দল কংগ্রেসকে পেছনে ফেলে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)।
রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচনে দলভিত্তিক ফলাফলে বড় জয় পেলেও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নগর নিগমে নির্দল প্রার্থীদের দাপট দেখা গেছে।
নির্বাচন কমিশন প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, ৩০৯টি পৌরসভার মোট ওয়ার্ডগুলোর মধ্যে ৪ হাজার ১৭৮টিতে জয় তুলে নিয়েছে বিজেপি। আর ৩ হাজার ৬১২টি ওয়ার্ডে জয় পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বিরোধী দল কংগ্রেস। তবে দলীয় প্রার্থীদের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আসনে জয় নিশ্চিত করেছেন স্বতন্ত্র বা নির্দল প্রার্থীরা; তাদের ঝুলিতে গেছে ২ হাজার ২৭৩টি ওয়ার্ড।
দল / অবস্থানবিজয়ী ওয়ার্ডবিজেপি৪,১৭৮কংগ্রেস৩,৬১২স্বতন্ত্র ও অন্যান্য২,২৭৩
কর্পোরেশনের চিত্র
রাজ্যের বড় নগর নিগম বা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনগুলোতে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের খবর পাওয়া গেছে।
রাজধানী জয়পুর ছাড়াও কোটা, উদয়পুর এবং ভিলওয়ারা—এই চার বড় নগর নিগমে বিপুল ব্যবধানে জয় পেয়ে নিজেদের দলের মেয়র বসানো নিশ্চিত করেছে বিজেপি। অন্যদিকে বিকানের নগর নিগমে একক আধিপত্য রেখে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে কংগ্রেস।
তবে আজমের, পালি, যোধপুর এবং ভরতপুর নগর নিগমে কোনো দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে এই চার শহরে মেয়র কে হচ্ছেন, তা নির্ধারণে নির্দল প্রার্থীদের সমর্থনই এখন মুখ্য ভূমিকা পালন করবে।
বিজেপি প্রার্থীর ঝুলিতে ১ ভোট
নির্বাচনে সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা ঘটেছে ডিডওয়ানা-কুচামনে। সেখানকার পরবতসর পৌরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে বিজেপির মনোনীত প্রার্থী কৈলাস চন্দ্র মাত্র ১টি ভোট পেয়েছেন।
অনুসন্ধানে জানা যায়, কৈলাস ওই ওয়ার্ডের নিবন্ধিত ভোটার ছিলেন না। ফলে তিনি নিজেকে নিজে ভোট দিতে পারেননি এবং সংশ্লিষ্ট এলাকায় দলীয় ভোটব্যাংক গড়ে তুলতেও ব্যর্থ হন।
নির্বাচনী ফলাফলকে সরকারের বিগত দিনের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রতি জনগণের আস্থা হিসেবে দেখছেন বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব। অন্যদিকে কংগ্রেসের দাবি, হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই চিত্র ভবিষ্যতে তাদের ঘুরে দাঁড়ানোর বার্তা দিচ্ছে।
আরও জানতে চোখ রাখুন...