অনলাইন ডেস্ক
দেশের বাজারে থাকা পল্ট্রি মুরগির মাংস নিয়ে সামনে এলো মারাত্মক উদ্বেগের খবর। আন্তর্জাতিকভাবে নির্ধারিত নিরাপদ সীমার চেয়েও বেশি পরিমাণে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল বা অ্যান্টিবায়োটিকের অবশিষ্টাংশ (রেসিডিউ) পাওয়া গেছে এসব মুরগির মাংসে। সম্প্রতি বাংলাদেশ, ভারত ও ভিয়েতনামে পরিচালিত এক ত্রিপক্ষীয় যৌথ গবেষণায় এই চাঞ্চল্যকর ও আশঙ্কাজনক তথ্য উঠে এসেছে।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক খ্যাতনামা প্রকাশনা 'পল্ট্রি নিউজ' (Poultry News)-এ গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন এই গবেষণাটির সার্বিক নেতৃত্বে ছিল যুক্তরাজ্যের ঐতিহ্যবাহী রয়্যাল ভেটেরিনারি কলেজ (RVC)। তাদের এই বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানে বাংলাদেশ, ভারত ও ভিয়েতনামের বেশ কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞ বিজ্ঞানীরা সরাসরি অংশ নেন।
গবেষকদের দেওয়া তথ্যমতে, পল্ট্রি মুরগির খামারে অনিয়ন্ত্রিত ও অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের ফলেই মাংসের টিস্যুতে এ ধরনের ক্ষতিকারক অবশিষ্টাংশ রয়ে যাচ্ছে। খাদ্যের মাধ্যমে মাত্রাতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক নিয়মিত মানবদেহে প্রবেশ করায় দেশের সাধারণ জনস্বাস্থ্য চরম ঝুঁকির মুখে পড়ছে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে দিয়ে বলছেন, এভাবে খাবার থেকে অজান্তেই অ্যান্টিবায়োটিক শরীরে ঢুকতে থাকলে মানুষের দেহে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) তৈরি হবে। সহজ কথায়, মানবদেহে অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী মারাত্মক জীবাণু বা 'সুপারবাগ' তৈরি হবে, যার ফলে ভবিষ্যতে সাধারণ কোনো রোগ বা ইনফেকশনের চিকিৎসাতেও প্রচলিত ওষুধ বা অ্যান্টিবায়োটিক আর কোনো কাজ করবে না।
আরও জানতে চোখ রাখুন...