
অনুপ্রবেশ ও পুশইন প্রতিরোধে বিজিবি ব্যাটালিয়ন।
নওগাঁ প্রতিনিধি:
"সীমান্ত দিয়ে যেকোনো মূল্যে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা রুখে দিতে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি। সাপাহার সীমান্তে রাতের অন্ধকারে একদল লোককে পুশইনের চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু আমাদের বিজিবি জওয়ানদের সার্বক্ষণিক সতর্ক টহলের কারণে তা ভেস্তে যায়। আমরা ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছি, নিয়মতান্ত্রিক আন্তর্জাতিক প্রোটোকল ছাড়া কাউকেই সীমান্ত পার হতে দেওয়া হবে না।"
লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইফতেখার মাহমুদ, অধিনায়ক (চাঁপাইনবাবগঞ্জ বিজিবি ব্যাটালিয়ন):
"সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের অভ্যন্তর থেকে কিছু মানুষকে জোরপূর্বক জিরো লাইনের দিকে ঠেলে দেওয়ার প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। গোমস্তাপুর সীমান্তে বিজিবির কড়া অবস্থানের মুখে বিএসএফ পিছু হটতে বাধ্য হয়। আমরা শুধু নজরদারি বাড়াইনি, বরং সীমান্ত এলাকার স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং গ্রামবাসীদের নিয়ে সচেতনতা সভা করছি, যাতে গভীর রাতে যেকোনো সন্দেহজনক গতিবিধি দেখলেই বিজিবিকে দ্রুত তথ্য দেওয়া যায়।"
মেজর জেনারেল আশরাফুল ইসলাম (সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের সেক্টর কমান্ডার):
"সীমান্তে এই মুহূর্তে কঠোর সতর্কাবস্থা বা 'হাই অ্যালার্ট' জারি রয়েছে। কাঁটাতারবিহীন এবং দুর্গম নদীপথের পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিশেষ করে রাতের বেলা থার্মাল ইমেজার এবং নাইট ভিশন ডিভাইসের মাধ্যমে নজরদারি দ্বিগুণ করা হয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং যেকোনো ধরনের পুশইন প্রতিহত করতে বিজিবি সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করছে।"
আরও জানতে চোখ রাখুন...