প্রিন্ট এর তারিখঃ সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬, ২:০৬ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ জানুয়ারি ৩, ২০২৬, ১:৩৬ পূর্বাহ্ণ
সম্পদ ও যোগ্যতার হিসাব মিলছে কি? প্রার্থীদের হলফনামা যাছাইয়ে মাঠে ইসি
নিউজ ডেস্ক |
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দামামা বাজার সাথে সাথেই শুরু হয়েছে প্রার্থীদের আমলনামা তথা হলফনামা যাচাইয়ের তোড়জোড়। মনোনয়ন দাখিল পর্বের সমাপ্তি শেষে এখন প্রধান কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রার্থীদের দেওয়া তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করা। নির্বাচন কমিশন (ইসি) অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে প্রতিটি সম্ভাব্য প্রার্থীর জমা দেওয়া হলফনামার তথ্যগুলো খতিয়ে দেখছে।
নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, প্রত্যেক প্রার্থীকে তাদের মনোনয়নপত্রের সাথে একটি হলফনামা জমা দিতে হয়েছে। এতে প্রধানত তিনটি বিষয়ের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে:
১,বার্ষিক আয়ের উৎস:প্রার্থীর বার্ষিক আয়ের উৎস এবং ব্যয়ের খাত।
২,সম্পদের বিবরণ: স্থাবর (জমি, বাড়ি) ও অস্থাবর (নগদ টাকা, স্বর্ণ, শেয়ার) সম্পদের বিস্তারিত তথ্য।
৩,প্রার্থীর সর্বশেষ অর্জিত ডিগ্রি বা শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ।
হলফনামার তথ্যগুলো প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে গত কয়েক বছরে প্রার্থীদের সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলা বা আয়ের উৎসে অস্বাভাবিক পরিবর্তন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বইছে আলোচনার ঝড়। চায়ের টেবিল থেকে শুরু করে অনলাইন প্লাটফর্মে সাধারণ মানুষ প্রশ্ন তুলছে—প্রার্থীদের জীবনযাত্রার সাথে তাদের ঘোষিত আয়ের সামঞ্জস্য আছে কি না। তথ্যের কোনো গরমিল বা বড় ধরনের অসঙ্গতি আছে কি না, তা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।
নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, হলফনামায় কোনো ধরনের অসত্য তথ্য প্রদান বা গোপনীয়তা অবলম্বন করা হলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় যদি কোনো প্রার্থীর দেওয়া তথ্যে গুরুতর ভুল বা জালিয়াতি ধরা পড়ে, তবে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করার মতো সিদ্ধান্তও নিতে পারে কমিশন।
সুশীল সমাজের পর্যবেক্ষণ;
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, হলফনামা যাচাইয়ের এই প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ হওয়া অত্যন্ত জরুরি। এতে করে ভোটাররা প্রার্থীর যোগ্যতাসম্পর্কে সঠিক ধারণা পাবেন এবং সৎ ও যোগ্য জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবেন।
আরও পড়ুন,,,
2026