স্টাফ রিপোর্টার |
দেশের সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে এবং ভূমির দখল-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে ‘ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন’ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন বিশেষজ্ঞ মো. আব্দুর রফিউল আলম। সম্প্রতি এক ভিডিও বার্তায় তিনি এই আইনের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো তুলে ধরেন, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে।
দখলবাজির দিন শেষ
আব্দুর রফিউল আলম জানান, নতুন এই আইনের ফলে এখন থেকে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া কেউ কারো জমি দখল করে রাখতে পারবে না। যদি কেউ গায়ের জোরে বা জাল দলিলে জমি দখল করে, তবে তাকে শাস্তির আওতায় আনা হবে। তিনি বলেন, "ভূমি দস্যুতা রোধে সরকার এখন জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।"আইনের মূল দিকগুলো: তিনি এই আইনের বেশ কিছু কার্যকরী পয়েন্ট নিয়ে আলোচনা করেন:
* জাল দলিলে শাস্তি: কেউ যদি ভুয়া বা জাল দলিল তৈরি করে জমি দাবি করে, তবে তার জন্য কঠোর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।
* সীমানা বিরোধ নিষ্পত্তি: জমির সীমানা নিয়ে দীর্ঘদিনের ঝগড়া-বিবাদ এখন দ্রুত আইনি প্রক্রিয়ায় সমাধান করা সম্ভব।
* তাৎক্ষণিক প্রতিকার: জেলা প্রশাসক বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এখন এই আইনের অধীনে ভূমি অপরাধ দমনে বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
ভুক্তভোগীদের জন্য পরামর্শ
মো. আব্দুর রফিউল আলম ভুক্তভোগীদের উদ্দেশ্যে বলেন, নিজের জমির দলিলপত্র সব সময় হালনাগাদ রাখতে হবে। যদি কেউ অবৈধভাবে জমি দখলের চেষ্টা করে, তবে ভয় না পেয়ে আইনের আশ্রয় নিতে হবে। তিনি মনে করেন, এই আইনটি সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে গ্রাম ও শহরের হাজার হাজার মানুষ মামলা-হামলার হাত থেকে মুক্তি পাবে।
উল্লেখ্য, ‘Land-Desk’ নামক প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তিনি নিয়মিত ভূমি আইন বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করে আসছেন। তার এই আলোচনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইতিমধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছে।
আরও জানভতে সাথে থাকুন...