🖼️মোঃ শান্ত খান,ঢাকা জেলা প্রতিনিধি:
প্রতিদিন রাত পোহালেই সাভার পৌর মেয়র পদপ্রার্থী ঢাকা জেলা বিএনপি সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ খোরশেদ আলমের বৈঠকখানায় দেখা যায় মানুষের আনাগোনা। তাদের কেউ নিজের সমস্যা, কেউ অন্যের সমস্যা বলতে এসেছেন। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত একে একে নিজের মত করে ভালো-মন্দ সবই খুব কাছ থেকে মন খুলে বলছেন তারা। তাদের কথা গভীর মনযোগ দিয়ে শুনছেন মেয়র মোঃ খোরশেদ আলম। কথা শেষে সবাই হাসিমুখে বাড়ি ফিরছেন।
এলাকার মানুষের আলাপচারিতায় একজন সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বের কথা উঠলে সর্বাগ্রে যে মানুষটির নাম উঠে আসে তিনি হচ্ছেন ঢাকা জেলা বিএনপি সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ খোরশেদ আলম। পৌরসভার প্রতিটি মহল্লার মানুষ তাকে ‘লায়ন খোরশেদ আলম ভাই’ নামে চেনেন। মেয়র হয়ে পৌরশহরের রাস্তাঘাট, হাট-বাজার, বিদ্যুৎ, সুপেয় পানি সরবরাহ, পানি নিষ্কাশন ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নের মাধ্যমে গর্ব করার মত একটি পৌরসভা উপহার দিতে চান তিনি।
বিএনপি'র তৃণমূল পর্যায়ের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, নেতাকর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখে নেতৃত্ব দেয়া ও এলাকার মেহনতি-অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো দেখতেন তিনি। বাবার কাছ থেকেই অন্যের পাশে দাঁড়ানোর শিক্ষা পেয়েছেন তিনি।
আগামী পৌরসভা নির্বাচনের জন্য একজন বিএনপির মেয়র প্রার্থী হিসেবে পৌরসভার বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় ছুটে চলেছেন এ সমাজসেবক। বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন ও হিতাকাঙ্খিদের নিয়ে ভোটের জন্য দোয়া ও সমর্থন চাইছেন। তরুণ প্রজন্মের নতুন ভোটারসহ সাধারণ মানুষের থেকে পেয়েছেন ব্যাপক সাড়া।
আসন্ন নির্বাচনে পৌরসভার তরুণ প্রজন্মসহ সচেতনমহলও সাভার পৌরসভার রাস্তাঘাট, হাট-বাজার, বিদ্যুৎ, পানি ও স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে ভবিষ্যৎ কাণ্ডারি হিসেবে মোঃ খোরশেদ আলমকে নিয়েই ভাবছেন। নির্বাচনী আলোচনায় এগিয়ে তিনি।
অন্যদিকে সাধারণ নাগরিকদের অভিযোগ, বিগত কয়েকটি পৌর নির্বাচনের আগে অনেক সাবেক ও বর্তমান মেয়রের দেওয়া উন্নয়নের প্রতিশ্রুতির বেশিরভাগই বাস্তবায়ন হয়নি। পৌরশহরের বিভিন্ন রাস্তা কয়েকবছর ধরে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে যেগুলো মেরামত করে দেবেন বলে বলে এখনো তা দেননি। রাস্তার পাশে পড়ে রয়েছে নোংরা-আবর্জনার স্তুপ, ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। এছাড়া পৌরসভার বিদ্যুৎ সুবিধা, সুপেয় পানি ও বর্ষাকালে শহরে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা অনেকটাই হযবরল।
পথচারী এক ব্যক্তি বলেন, ‘মোঃ খোরশেদ আলম একজন সফল রাজনীতিবিদ। সাভারের সকল মানুষের সঙ্গে তার খুব ভালো সম্পর্ক এবং তিনি মানুষদের ভালোমন্দ বিষয়ে সবসময় খোঁজ রাখেন। তার মতো একজন সৎ ও যোগ্য মানুষ আগামীতে সাভার পৌরমেয়র হলে মানুষ নিরাপদে চলাফেরা করতে পারবেন। সেইসঙ্গে পৌরশহরের চুরি-ডাকাতির মতো অনাকাঙ্খিত ঘটনামুক্ত হবে এবং পৌরবাসী অনেক সুবিধা ভোগ করবেন।’
‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ক্রীড়াঙ্গন ও সাংস্কৃতিক জগতে মো খোরশেদ আলম রয়েছে অবাধ বিচরণ। এলাকার ক্রিকেট ও ফুটবল প্রেমিকরা তাদের আবদার নিয়ে তার নিকট গিয়ে কখনো খালি হাতে ফেরেনি। অর্থের অভাবে যেনো তার এলাকার কোনো দরিদ্র ছেলেমেয়ের পড়ালেখা বন্ধ না হয়, সেদিকে মোঃ খোরশেদ আলম এর সুনজর খুব তীক্ষ্ম। এ ধরণের একজন উচ্চশিক্ষিত ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি আগামীতে জনপ্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেলে এলাকায় শিক্ষা ও সংস্কৃতি জগতে আমূল পরিবর্তন ঘটবে’
একজন রিস্কা চালক বলেন, ‘খোরশেদ আলম একজন সৎ ও উদার মানুষ। তিনি শত ব্যস্ততার মাঝেও গরিব ও মেহনতি মানুষের পাশে দাঁড়ান। আগামীতে মেয়রের চেয়ারে বসার সুযোগ পেলে তিনি সাভার পৌরবাসীর জন্য সবধরণের উন্নয়নমূলক কাজ করতে পারবেন।’
একান্ত সাক্ষাতকালে মো খোরশেদ আলম বলেন, ‘এলাকার সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর শিক্ষা ও অনুপ্রেরণা আমি আমার প্রয়াত রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক বাবার নিকট থেকেই পেয়েছি। আর বাবাও চেয়েছিলেন, আমি যেনো সারাজীবন মানুষের সেবায় আত্মনিয়োগ করি। বাবার সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দিতেই আগামী পৌর নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিয়েছি। এতে আমি আমার এলাকার সাধারণ মানুষের ব্যাপক সমর্থন পেয়েছি।’
তিনি আরো বলেন, ‘নির্বাচনের সময় উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ও টাকার বিনিময়ে ভোটারদের মূল্যবান আমানত যাতে কেউ নষ্ট করতে না পারে, আমি সেই পরিবেশ তৈরি করতে চাই। আর মেয়র হয়ে পৌরসভার রাস্তাঘাট, হাট-বাজার, বিদ্যুৎ, সুপেয় পানি সরবরাহ, পানি নিষ্কাশন ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন করে উন্নতমানের পরিবেশবান্ধব নাগরিক সেবা প্রদানের মাধ্যমে গর্ব করার মত একটি পৌরসভা উপহার দিতে চাই।