🧲 মো.রিয়াজুল সোহাগ,নিজস্বপ্রতিবেদকঃ
নোয়াখালীর সেনবাগে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গন এখন সবচেয়ে আলোচিত অঞ্চলে পরিণত হয়েছে। কারণ, একই দলের দুজন হেভিওয়েট নেতা সাবেক এমপি ও সাবেক চিফ হুইপ জয়নুল আবেদিন ফারুক এবং দলের আরেক শক্তিশালী কেন্দ্রীয় নেতা কাজী মফিজ—দুজনেই মাঠে নেমে পূর্ণমাত্রায় নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন।
ফারুকের অভিজ্ঞতা বনাম মফিজের জনপ্রিয়তা — সেনবাগে দুই মেরুর প্রতিযোগিতা দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, জাতীয় পর্যায়ে নেতৃত্ব, এবং এলাকায় উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় জয়নুল আবেদিন ফারুক বহুদিন ধরেই সেনবাগের রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত একটি নাম। নির্বাচনী মাঠে নেমে গণসংযোগ, মিলনমেলা, পাড়া-মহল্লায় উঠান বৈঠক—সব মিলিয়ে তার উপস্থিতি আবারও সেনবাগের রাজনীতিকে সরব করে তুলেছে।
অন্যদিকে, কাজী মফিজও সমান তৎপর। তরুণ ভোটারদের বড় অংশ তার প্রতি ঝুঁকছে বলে স্থানীয়দের মন্তব্য। এলাকাজুড়ে তার গণসংযোগ, কর্মীসভা সংবাদ সম্মেলন এবং সাংগঠনিক শক্তি সেনবাগে নির্বাচনী উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
একই দলের দুই প্রার্থী—কাকে দেবে দলীয় মনোনয়ন সেনবাগে এখন বড় আলোচনার বিষয়—দল শেষ পর্যন্ত কাকে মনোনয়ন দেবে?
দলের সাধারণ কর্মী থেকে শুরু করে শীর্ষ নেতারা পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে নীরব উত্তেজনার মধ্যে আছেন। কারণ, দুজনই সমান জনপ্রিয়, দুজনেরই বড় কর্মীসংঘ এবং দুজনই দলীয় রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়।
জনমত বিভক্ত, তবে শান্তিপূর্ণ—গণতান্ত্রিক পরিবেশে প্রতিযোগিতা দুই নেতার অনুসারীরা পৃথক প্রচারণা চালালেও মাঠে এখন পর্যন্ত কোনো সংঘাত হয়নি। উভয় পক্ষই প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে গণতান্ত্রিক প্রতিযোগিতা হিসেবে দেখছেন।
স্থানীয়রা বলছেন—“দল যাকে মনোনয়ন দেবে, আমরা তাকেই সমর্থন করব। তবে ফারুক সাহেবের অভিজ্ঞতা এবং কাজী মফিজের প্রাণশক্তি—দুজনেই যোগ্য।”ফারুকের বার্তা: উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রাখতে চাই বিভিন্ন জনসভায় অংশ নিয়ে জয়নুল আবেদিন ফারুক বলেন—“আমি সেনবাগের মানুষের ভালোবাসায় বহুবার কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আবারও আপনাদের পাশে থাকতে চাই।”
মফিজের প্রত্যাশা: তরুণদের স্বপ্ন পূরণের রাজনীতি অন্যদিকে কাজী মফিজ বলেন—“তরুণরা পরিবর্তন চায়, উন্নতি চায়, সুযোগ চায়। আমি সেই সুযোগ সৃষ্টি করতে চাই। সেনবাগকে আধুনিক ও উন্নত এলাকায় রূপ দিতে চাই।”মনোনয়ন না আসা পর্যন্ত উত্তেজনা বাড়ছে দলীয় মনোনয়ন চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত সেনবাগের রাজনৈতিক পরিবেশ আরও গরম থাকবে বলে প্রত্যাশা করছে স্থানীয় রাজনৈতিক মহল।যে মনোনয়ন পান, তিনি হবেন সেনবাগের রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু।সেনবাগবাসী এখন অপেক্ষায় কার হাতে উঠবে দলীয় প্রতীক ফারুক নাকি মফিজ এই প্রশ্নই এখন পুরো এলাকার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।