অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে একাডেমিক ও নৈতিক শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব। শিশুর সার্বিক উন্নয়নে মানসিক ও নৈতিক শিক্ষা বিকাশে অভিভাবক ও শিক্ষক উভয়েরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হয়।
বক্তারা আরও বলেন, প্রাথমিক শিক্ষায় গুরুত্ব দেওয়ার না হলে দেশ এগিয়ে যাবে না। আজকের শিশুরা আগামীর কান্ডারী। শিক্ষার্থীদের প্রতি শিক্ষক ও অভিভাবকগণ আন্তরিকতার সাথে পাঠদান ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। নতুন বাংলাদেশ গড়তে প্রাথমিক শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। সরকারের দীর্ঘমেয়াদী শিক্ষাবান্ধব সুষ্ঠু পরিকল্পনার মাধ্যমে এগিয়ে যাবে আগামীর নতুন বাংলাদেশ।
অনুষ্ঠানে উদ্বোধক ছিলেন ফুলকুঁড়ি বিদ্যাপীঠের সভাপতি আলহাজ্ব মাহবুব আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী সমাজসেবক আলহাজ্ব মোহাম্মদ শাহজাহান, শিক্ষানুরাগী এম এ ইলাহি রশিদ, পরিচালক ও নারীনেত্রী আনজুমান আরা লুৎফ, পরিচালক মোহাম্মদ এনামুল হক।
সায়মা আফরিন পিউ সঞ্চলনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক মিসেস জোসনা বেগম, শিক্ষক রোকেয়া বেগম, সুমাইয়া শাওরিন, জান্নাতুল নাঈম শিলা প্রমুখ।