
চতুর্থ দিনের খেলা যখন শেষ হয়েছিল, তখন জয় থেকে শ্রীলঙ্কা খুব বেশি দূরে ছিল না। ২৭৫ রানের লক্ষ্য দিয়ে ২০৭ রানে নিউজিল্যান্ডের ৮ উইকেট তুলে নিয়েছিল লঙ্কানরা। তবে ভয় জাগাচ্ছিলেন ৯১ রানে অপরাজিত থাকা রাচিন রবীন্দ্র। তার সেঞ্চুরিই করা হয়নি। সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দিনের আগেভাগেই ৬৩ রানের জয় তুলে নিল শ্রীলঙ্কা।
জিততে পঞ্চম দিন মাত্র ২২ বল করতে হয়েছে শ্রীলঙ্কাকাকে। রবীন্দ্র নামের পাশের মাত্র ১ রান যোগ করতে সক্ষম হন, তার শিকারি প্রবাথ জয়াসুরিয়া। ১৬৮ বলের ইনিংসে ৯টি চার ও একটি ছয়ের মার খেলেন তিনি। চতুর্থ দিনের অপরাজিত থাকা আজাজ প্যাটেল শেষ পর্যন্ত নটআউটই থাকেন, বাঁহাতি স্পিনার জয়াসুরিয়ার ফাইফার পূর্ণ করে উইলিয়ান ও’রোরকের বিদায় নিলে দ্বিতীয় ইনিংসে ২১১ রানে অলআউট হয় নিউজিল্যান্ড।
ফাইফার পূর্ণ করা জয়াসুরিয়াই হয়েছেন ম্যাচসেরা খেলোয়াড়। আগের ইনিংসে এই লঙ্কান ৪ উইকেট নিয়েছিলেন।গলে ২ ম্যাচের সিরিজের প্রথমটিতে জিতে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল শ্রীলঙ্কা। একই ভেন্যুতে ২৬ সেপ্টেম্বরের পরের ম্যাচে জিতলে প্রায় দেড় দশক পর কিউইদের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট সিরিজ জিতবে শ্রীলঙ্কা। ২০০৯ সালের পর ৬ সিরিজের ৪টিতেই জিতেছিল নিউজিল্যান্ড, দুটি হয়েছিল ড্র। মুখোমুখি দেখায় ৩৯ টেস্টের মধ্যে শ্রীলঙ্কার এটা দশম জয়, নিউজিল্যান্ড জিতেছে ১৮টিতে। ড্র ১১টি।
প্রথম ইনিংসে ৩০৫ রান করেছিল শ্রীলঙ্কা। ইংল্যান্ড সিরিজে একটি শতকের দেখা পাওয়া কামিন্দু মেন্ডিস এ ইনিংসে তিন অঙ্কের ঘরে স্পর্শ করেন। ১৭৩ বলে ১১৪ রান করেন তিনি। উইলিয়াম ও’রোরকে নিয়েছিলেন ৫ উইকেট। জবাবে ৩৪০ রান করেছিল নিউজিল্যান্ড। দ্বিতীয় ইনিংসে শ্রীলঙ্কা অলআউট হয় ৩০৯ রানে, ফলে ২৭৫ রানের লক্ষ্য পায় সফরকারী দল।