স্টাফ রিপোর্টার"
এক সাম্প্রতিক আলোচনাসভায় দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে চিফ প্রসিকিউটরের এক মন্তব্য। তিনি দাবি করেছেন—অতীতের কিছু মামলার সময়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে দায়িত্বশীল অবস্থানে থাকা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক সিদ্দিক কখনও কখনও নির্দেশনা দিতেন, কাকে কীভাবে ‘হ্যান্ডেল’ করতে হবে
তার বক্তব্যের একটি অংশ ছড়িয়ে পড়ার পর রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে তিনি কোনো নির্দিষ্ট মামলা, প্রেক্ষাপট বা প্রমাণ প্রকাশ করেননি
সরকার–ঘনিষ্ঠ সূত্র এই দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে উল্লেখ করেছে। তাঁরা বলেন—
বাংলাদেশের বিচার বিভাগ ও প্রসিকিউশন স্বতন্ত্রভাবে কাজ করে। রাজনৈতিকভাবে এমন দাবি ছড়ানো উদ্দেশ্যমূলক।
তারিক সিদ্দিকের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রও অভিযোগকে “মনগড়া ও রাজনৈতিক রঙচঙে” বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।
আইনবিশেষজ্ঞরা মনে করেন, চিফ প্রসিকিউটরের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদের কারও বক্তব্য নিয়ে যদি প্রশ্ন ওঠে, তবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের উচিত হবে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া।
তাঁদের মতে—যদি কারও কাছে নির্দিষ্ট অভিযোগ বা তথ্য থাকে, তা প্রকাশ্যে নয়, যাচাই হওয়া উচিত।
চিফ প্রসিকিউটরের মন্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে বড়সড় আলোড়ন তুললেও সরকার ও সংশ্লিষ্ট পক্ষ তা স্পষ্টভাবে নাকচ করেছে। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।